Bankura Tourism: পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার সারেঙ্গা এলাকায় অবস্থিত বড়দি পাহাড় শীতকালে অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য। ১৮০০ টাকা থেকে শুরু থাকা-খাওয়ার সুব্যবস্থা, আশেপাশে কংসাবতী নদী ও ঘন শালবন—সব মিলিয়ে এটি প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য এক স্বর্গ। স্থানীয়রা জানান, শীত হোক বা বর্ষা, বড়দি পাহাড়ের টানে প্রতি বছরই বাড়ছে পর্যটকের সংখ্যা।

প্রকৃতির কোলে বড়দি পাহাড়
বাঁকুড়ার সারেঙ্গা ব্লকের বড়দি পাহাড় এখনও অনেকের কাছে অজানা রত্ন। কংসাবতী নদীর তীরে শাল-মহুয়ার জঙ্গলের মাঝে এই ছোট টিলা এখন ধীরে ধীরে জনপ্রিয় পিকনিক স্পট হয়ে উঠছে। যারা শহরের কোলাহল থেকে দূরে কিছুটা সময় কাটাতে চান, তাঁদের জন্য এটি এক আদর্শ গন্তব্য।

ইকো রিসোর্টের বিশেষত্ব
বড়দি পাহাড়ের পাদদেশে তৈরি হয়েছে এক সুন্দর ইকো রিসোর্ট। এখানকার কটেজগুলিতে সমস্ত আধুনিক সুবিধা রয়েছে—থাকা, খাওয়া, পার্ক, এমনকি রোমান্টিক হাঁটার পথও। শীতে পলাশফুলে ঢেকে যায় রিসোর্টের চারপাশ, আর তখন প্রকৃতির রূপ হয়ে ওঠে সত্যিই মায়াবী।
কীভাবে পৌঁছবেন বড়দি পাহাড়ে
বাঁকুড়া থেকে রাইপুরের পথে পিড়রগাড়ি মোড় পর্যন্ত এসে খাতড়ার দিকে ছ’কিমি গেলে চুয়াগাড়া মোড় পাওয়া যায়। সেখান থেকে চার কিলোমিটার গেলেই কালাপাথর গ্রামের লাগোয়া বড়দি পাহাড়। কাছেই রয়েছে নদীর তীরে কালাঝর্ণা—এক মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক ঝর্ণা।

পর্যটকদের অভিজ্ঞতা
পর্যটক হারাধন সরকার বলেন, “বড়দি পাহাড় শুধু পাহাড় নয়, এটি এক অভিজ্ঞতা। ইকো রিসোর্টের পরিবেশ, নদীর ধারের বাতাস আর নীরব প্রকৃতি—সব মিলিয়ে এখানে এলে ফিরে যেতে মন চায় না।” স্থানীয় প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনাও চলছে।

বাঁকুড়ার সারেঙ্গার বড়দি পাহাড় এখন নতুন পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। কংসাবতী নদীর ধারে শাল-মহুয়ার জঙ্গলে ঘেরা এই পাহাড় ঘুরতে গেলে প্রকৃতির অপূর্ব সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। শীতে এখানে পর্যটকদের ভিড় চোখে পড়ার মতো।













