একসময় যেখানে হাতির আক্রমণে একাধিক প্রাণহানি ছিল নিত্যদিনের ঘটনা, সেই Bankura আজ নজির গড়েছে। ২০০৭ সালের পর প্রথমবার—পুরো অর্থবর্ষ জুড়ে একটিও মৃত্যু হয়নি। এই সাফল্যকে বড় মাইলফলক হিসেবে দেখছে বনদফতর।
২৮ থেকে শূন্য—দীর্ঘ পথচলার গল্প
বনদফতরের তথ্য অনুযায়ী,
২০১৫-১৬ সালে সর্বোচ্চ ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল
২০১৯-২০ সালে তা কমে দাঁড়ায় ৫
২০২০-২১ সালে ৩
২০২৪-২৫ সালে ১
আর ২০২৫-২৬ সালে—শূন্য!
এই ধারাবাহিক উন্নতিই আজকের সাফল্যের ভিত্তি।
হাতির সংখ্যা বেড়েছে, তবু নিয়ন্ত্রণে পরিস্থিতি
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়—হাতির সংখ্যা কমেনি, বরং বেড়েছে।
২০২৫-২৬ সালে সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯,৩১৫, যা আগের বছরের তুলনায় অনেক বেশি। তবুও প্রাণহানি শূন্যে নামানো সম্ভব হয়েছে—যা প্রশাসনিক দক্ষতার বড় প্রমাণ।
কীভাবে সম্ভব হল এই সাফল্য?
বনদফতরের তরফে তিনটি বিষয়ের উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে—
ফিল্ড লেভেলে নজরদারি
হাতির গতিবিধি সারাক্ষণ পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে, যাতে তারা গ্রামে ঢুকতে না পারে।
সচেতনতা বৃদ্ধি
গ্রামবাসীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো হয়েছে—কীভাবে হাতির মুখোমুখি হলে আচরণ করতে হবে।
সমন্বিত উদ্যোগ
প্রশাসন, পুলিশ, সংবাদমাধ্যম ও স্থানীয় মানুষের যৌথ প্রচেষ্টা এই সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।
বন আধিকারিকের প্রতিক্রিয়া
বন আধিকারিকদের মতে, এই সাফল্য হঠাৎ করে আসেনি। দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা, পরিশ্রম এবং ২৪ ঘণ্টা নজরদারির ফলেই এই অর্জন সম্ভব হয়েছে।
Bankura জেলায় হাতির সংখ্যা বাড়লেও ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে হাতির আক্রমণে মৃত্যুর সংখ্যা নেমে এসেছে শূন্যে। বনদফতর, প্রশাসন ও স্থানীয় মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগেই এই নজিরবিহীন সাফল্য।












