CAA বিতর্ক: কলকাতায় বিজেপির বৈঠকে চাঞ্চল্য। উত্তরবঙ্গের এক বিজেপি বিধায়ক সরাসরি প্রশ্ন তুললেন—সিএএ-তে যাঁরা আবেদন করেছেন, তাঁরা কি ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে ভোট দিতে পারবেন? মঙ্গলবারের ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সূত্রের খবর, ওই বিধায়ক আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, ভোটাধিকার না পেলে সিএএ আবেদনকারীদের সমর্থন হারাবে বিজেপি।

বৈঠকে চাঞ্চল্যকর প্রশ্ন: ভোট দিতে পারবেন তো আবেদনকারীরা?
দলীয় সূত্রে খবর, মঙ্গলবার বিধানসভায় বিজেপি বিধায়কদের এক অভ্যন্তরীণ বৈঠকে উঠে আসে এই প্রশ্ন। ওই বিধায়ক জানান, সিএএ আবেদনকারীরা বিজেপির সমর্থক হলেও, তাঁরা যদি ভোট দিতে না পারেন, তাহলে নির্বাচনে দলের ক্ষতি নিশ্চিত। এমনকি তিনি মন্তব্য করেন—"ভোটে জেতা তো দূর, এলাকায় ঢোকাও মুশকিল হবে।

নেতৃত্বের আশ্বাস: দিল্লি অবগত, সমাধান খোঁজা হচ্ছে
বৈঠকে উপস্থিত শুভেন্দু অধিকারী ও সুকান্ত মজুমদার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে শোনেন। বিজেপি নেতৃত্ব জানান, গোটা বিষয়টি সম্পর্কে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব অবগত। দিল্লির শীর্ষ মহল থেকে শীঘ্রই নির্দেশ আসবে। তবে রাজ্য বিজেপির ভেতরে এই বক্তব্য যে অস্বস্তি তৈরি করেছে, তা স্বীকার করছেন অনেকেই।
আদালতে আগেই উঠেছিল একই প্রশ্ন
এই প্রসঙ্গ নতুন নয়। ‘আত্মদীপ’ নামের একটি সংস্থা কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা করে জানতে চেয়েছিল, সিএএ আবেদনকারীরা ভোট দিতে পারবেন কি না। তবে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, একযোগে নির্দেশ দেওয়া সম্ভব নয়; প্রতিটি আবেদন আলাদা ভাবে বিবেচনা করতে হবে। ফলে আইনি দিক থেকেও প্রশ্ন রয়ে যাচ্ছে।
বিজেপির ভোট কৌশলে নতুন চাপ
রাজনৈতিক মহলের মতে, এই বিতর্ক বিজেপির কৌশলগত ভাবনাকে প্রভাবিত করতে পারে। সিএএ-র সমর্থনে বিজেপি যেভাবে প্রচার চালিয়েছে, সেই আবেগ ভোটে রূপ নেবে কি না, তা এখনই বলা কঠিন। ভোটাধিকার না মিললে বিরোধীরা নিশ্চয়ই বিষয়টি কাজে লাগাবে।

বিজেপির এক উত্তরবঙ্গের বিধায়ক প্রশ্ন তুললেন, সিএএ-তে আবেদনকারীরা আদৌ ২০২৬ সালের ভোট দিতে পারবেন তো? দলীয় বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী ও সুকান্ত মজুমদারের সামনেই উঠে আসে এই আশঙ্কা। বিধায়কের বক্তব্য, যদি ভোটই দিতে না পারেন আবেদনকারীরা, তবে বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা বিপন্ন।








