আজকের দিনে নিজের গাড়ি থাকা যেমন স্বপ্ন, তেমনই বড় আর্থিক সিদ্ধান্তও বটে। এককালীন পুরো টাকা দিয়ে গাড়ি কেনা সম্ভব না হওয়ায় বেশিরভাগ মানুষই ভরসা করেন গাড়ির লোনের উপর। কিন্তু লোন নেওয়ার সময় কিছু ভুল সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে আর্থিক চাপ বাড়াতে পারে। তাই লোন নেওয়ার আগে জেনে নেওয়া জরুরি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

ভালো ক্রেডিট স্কোরই কম সুদের চাবিকাঠি
গাড়ির লোনের ক্ষেত্রে ক্রেডিট স্কোর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্কোর ৭০০ বা তার বেশি হলে ব্যাঙ্ক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান কম সুদের হারে লোন দিতে আগ্রহী হয়। কম স্কোর হলে EMI বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
ডাউন পেমেন্ট যত বেশি, চাপ তত কম
গাড়ির মোট দামের অন্তত ২০ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দিতে পারলে লোনের অঙ্ক কমে যায়। এর ফলে মাসিক EMI যেমন কম হয়, তেমনই দীর্ঘমেয়াদে সুদের খরচও অনেকটাই কমে।

এক ব্যাঙ্কে থেমে থাকবেন না
প্রথম যে ব্যাঙ্ক লোনের প্রস্তাব দেবে, সেটাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। বিভিন্ন ব্যাঙ্ক ও NBFC-র সুদের হার, প্রসেসিং ফি ও শর্ত ভালোভাবে তুলনা করলেই সেরা ডিল পাওয়া সম্ভব।
লোনের মেয়াদ সংক্ষিপ্ত রাখাই বুদ্ধিমানের
অনেকেই কম EMI-এর লোভে দীর্ঘ মেয়াদের লোন নেন। কিন্তু এতে মোট সুদের পরিমাণ অনেক বেড়ে যায়। চেষ্টা করুন ৪–৫ বছরের মধ্যেই লোনের মেয়াদ সীমাবদ্ধ রাখতে।
বাজেটের বাইরে গাড়ি কিনবেন না
লোন পাওয়া যাচ্ছে বলেই অতিরিক্ত দামি গাড়ি কেনা ঠিক নয়। নিজের আয় ও মাসিক খরচের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই গাড়ি বেছে নেওয়া উচিত, যাতে ভবিষ্যতে আর্থিক অস্বস্তি না হয়।
গাড়ি কেনার সময় লোন নেওয়া আজ অনেকের কাছেই বাস্তব সমাধান। তবে ভুল পরিকল্পনা করলে EMI ও সুদের বোঝা বাড়তে পারে। কীভাবে সহজ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে গাড়ির লোনের খরচ কমানো যায়, জেনে নিন এই প্রতিবেদনে।













