ছতরপুরেDowry-র বাইক নিয়ে বিবাদ। স্ত্রী শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে মারধর করে বাইক নিয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত স্বামী প্রাণের ঝুঁকি অনুভব করে থানায় অভিযোগ করেছেন।
মধ্যপ্রদেশ: ছতরপুর জেলার সিভিল লাইন থানা এলাকার নতুন চন্দ্রপুরা অঞ্চলে একটি গুরুতর পারিবারিক বিবাদ প্রকাশ্যে এসেছে। এখানে বসবাসকারী লক্ষ্মণ কুশওয়াহা-র সাথে ৪ মার্চ ২০২৪ সালে রোশনি কুশওয়াহা-র বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের পর প্রায় ১০ মাস তারা একসাথে ছিলেন। প্রথমে সবকিছু স্বাভাবিক ছিল, কিন্তু সময়ের সাথে সাথে পরিবারের মধ্যে মতভেদ বাড়তে থাকে।
জানা গেছে, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪ সালে রোশনির তার শাশুড়ি-শ্বশুরমশাইয়ের সাথে কোনো বিষয় নিয়ে ঝগড়া হয়। বিবাদ এতটাই বাড়াবাড়ি করে যে রোশনি তার বাবা কিষণলাল কুশওয়াহা-র সাথে শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে বাপের বাড়িতে চলে যায়। এরপর থেকে স্বামী-স্ত্রী আলাদাভাবে বসবাস করতে শুরু করেন।
শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে মারধর
প্রায় ১০ মাস পর, ২ জানুয়ারি ২০২৬ সালে এই ঘটনা আবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসে, যখন রোশনি তার বাবা এবং কয়েকজন লোকের সাথে মোটরসাইকেলে শ্বশুরবাড়িতে পৌঁছায়। অভিযোগ করা হয়েছে, শ্বশুরবাড়িতে পৌঁছানোর সাথে সাথেই রোশনি এবং তার সাথে আসা লোকেরা শাশুড়ি-শ্বশুরমশাইয়ের সাথে তর্ক শুরু করে। তর্ক দ্রুত মারামারিতে পরিণত হয়।

এই সময় Dowry-তে দেওয়া মোটরসাইকেল নিয়েও বিবাদ হয়। বলা হচ্ছে, বাইকের চাবি না পাওয়ায় রোশনি অন্য একটি বাইকের সাথে Dowry-র বাইকটিকে বেঁধে জোর করে নিয়ে যায়। পুরো ঘটনার ভিডিওও সামনে এসেছে, যা এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ভাইরাল হচ্ছে। ভিডিওতে শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের সাথে ধাক্কাধাক্কি এবং বাইক নিয়ে যাওয়া লোকদের দেখা যাচ্ছে।
স্বামী প্রাণের ঝুঁকি অনুভব করছেন
ঘটনার পর ক্ষতিগ্রস্ত স্বামী লক্ষ্মণ কুশওয়াহা সিভিল লাইন থানায় অভিযোগ করেছেন। লক্ষ্মণের বক্তব্য, তিনি স্ত্রী এবং শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের কাছ থেকে প্রাণের ঝুঁকি অনুভব করছেন। তিনি পুলিশকে জানান, তিনি তার স্ত্রীর সাথে থাকতে চান এবং তার দাম্পত্য জীবন বাঁচাতে চান। লক্ষ্মণের মতে, তার বৈবাহিক জীবনে শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা ক্রমাগত হস্তক্ষেপ করেছেন, যার ফলে বাড়িতে উত্তেজনা ও ঝগড়া বেড়েছে। তিনি অভিযোগ করেছেন যে এই কারণে তার দাম্পত্য জীবন খারাপ হয়েছে এবং এখন তিনি হুমকিও পাচ্ছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে। ভাইরাল ভিডিওটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে, যাতে ঘটনার সময় কী ঘটেছিল তা স্পষ্ট করা যায়। পুলিশ উভয় পক্ষের বক্তব্য রেকর্ড করছে এবং প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আপাতত, এই ঘটনাটি স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং মানুষজন পারিবারিক বিবাদ এভাবে রাস্তায় আসা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।









