গ্যাসের সরবরাহ ঘাটতি সামাল দিতে একাধিক পদক্ষেপ নিচ্ছে কেন্দ্র। গৃহস্থালির এলপিজি সরবরাহ বজায় রাখার পাশাপাশি এবার বাণিজ্যিক গ্যাসের ক্ষেত্রেও নতুন নীতি আনা হয়েছে। Ministry of Petroleum and Natural Gas জানিয়েছে, বাণিজ্যিক এলপিজি ব্যবহারের ক্ষেত্রে হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে প্রথমে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
গৃহস্থালি গ্যাসে অগ্রাধিকার নীতি
এর আগেই কেন্দ্র স্পষ্ট করেছিল, এলপিজি সরবরাহের ক্ষেত্রে প্রথম অগ্রাধিকার থাকবে গৃহস্থালি গ্রাহকদের।এই সিদ্ধান্তের ফলে বাণিজ্যিক গ্যাস সরবরাহে কিছুটা ঘাটতি দেখা দেয়। বিশেষ করে হোটেল ও রেস্তরাঁ ব্যবসায়ীরা সমস্যায় পড়েছেন বলে বিভিন্ন মহল থেকে অভিযোগ উঠেছে।

বাণিজ্যিক গ্যাস সরবরাহে গঠিত কমিটি
এই পরিস্থিতি সামাল দিতে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে Ministry of Petroleum and Natural Gas।বাণিজ্যিক এলপিজি সরবরাহের পরিকল্পনা তৈরি করতে তিনজন এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর নিয়ে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির সদস্যরা বিভিন্ন Oil Marketing Companies থেকে নির্বাচিত হবেন।

হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অগ্রাধিকার
নতুন নির্দেশ অনুযায়ী বাণিজ্যিক গ্যাস ব্যবহারের ক্ষেত্রে হাসপাতাল এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
কারণ এই প্রতিষ্ঠানগুলিতে প্রতিদিন বড় পরিমাণে রান্না ও পরিষেবা চালাতে এলপিজির প্রয়োজন হয়। তাই পরিষেবা যাতে ব্যাহত না হয়, সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এলপিজি সংকট ঠেকাতে আরও কড়াকড়ি
গ্যাসের সংকট এড়াতে ইতিমধ্যেই একাধিক নিয়ম চালু করেছে কেন্দ্র। এলপিজি বুকিংয়ের সময়সীমা ২১ দিন করা হয়েছে এবং রান্নার গ্যাসের দাম এক ধাক্কায় ৬০ টাকা বাড়ানো হয়েছে।এছাড়াও নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, প্রথম বুকিংয়ের ২৫ দিনের আগে দ্বিতীয় সিলিন্ডার বুক করা যাবে না।

দেশে এলপিজি সরবরাহের ভারসাম্য বজায় রাখতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ জারি হয়েছে। ফলে হোটেল ও রেস্তরাঁ ব্যবসায়ীরা নতুন করে চাপে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।






