গরম পড়তে শুরু করলেই রান্নাঘরের বড় সমস্যাগুলোর একটি হয়ে দাঁড়ায় দুধ নষ্ট হয়ে যাওয়া। বিশেষ করে প্যাকেটজাত বা পাস্তুরিত দুধ অনেক সময় সকালেই কিনে আনলেও দুপুরের মধ্যেই টক হয়ে যায়। তবে কিছু সহজ কিচেন টিপস মেনে চললে গ্রীষ্মেও দুধ অনেকক্ষণ ভালো রাখা সম্ভব।

দুধ আনার সঙ্গে সঙ্গে কী করবেন
অনেকেই বাজার থেকে দুধ এনে রান্নাঘরের কাউন্টারে রেখে দেন। কিন্তু গরমকালে ১০–১৫ মিনিটও বাইরে থাকলে দুধে ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে।তাই দুধ আনার সঙ্গে সঙ্গে প্যাকেটটি ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে নিন। তারপর জল ঝরিয়ে দ্রুত ফুটিয়ে নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

শুধু ফুটালেই হবে না, আরও কয়েক মিনিট জ্বাল দিন
অনেকে দুধ ফুটে উঠলেই নামিয়ে ফেলেন। কিন্তু এতে সব জীবাণু পুরোপুরি নাও নষ্ট হতে পারে।দুধ ফুটে উঠলে আঁচ কমিয়ে অন্তত ২–৩ মিনিট জ্বাল দিন। এতে জীবাণু নষ্ট হয় এবং দুধের শেলফ লাইফও কিছুটা বেড়ে যায়।
টক হওয়ার আশঙ্কা থাকলে এই কৌশল
কখনও কখনও দুধ সামান্য টক হয়ে গেলে বা জমাট বাঁধার সম্ভাবনা থাকলে একটি ছোট কৌশল কাজে লাগতে পারে।ফুটানোর আগে দুধে এক চিমটি বেকিং সোডা দিলে অ্যাসিডিটি কিছুটা কমে এবং দুধ দ্রুত জমাট বাঁধে না। তবে খুব অল্প পরিমাণেই এটি ব্যবহার করতে হবে।

গরম দুধ সরাসরি ফ্রিজে রাখবেন না
গরম দুধ সরাসরি ফ্রিজে রাখা একটি সাধারণ ভুল। এতে ফ্রিজের তাপমাত্রা বেড়ে যায় এবং দুধ জমাট বাঁধার ঝুঁকি বাড়ে।প্রথমে দুধের পাত্রটি ঠান্ডা জলে ভরা একটি বড় পাত্রে রেখে দিন। দুধ ঘরের তাপমাত্রায় এলে তারপর ফ্রিজে রাখুন।
পরিষ্কার পাত্র ব্যবহার করা জরুরি
অনেক সময় পাত্র পরিষ্কার না থাকলেও দুধ দ্রুত জমাট বাঁধে। তাই দুধ রাখার পাত্র সবসময় ভালোভাবে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা উচিত।দুধ ঢালার আগে পাত্রে অল্প ঠান্ডা জল ঘুরিয়ে নিলে দুধ নিচে লেগে যাওয়ার সম্ভাবনাও কমে।

গ্রীষ্মে প্যাকেটজাত দুধ দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়া খুব সাধারণ সমস্যা। তবে রান্নাঘরের কয়েকটি সহজ কৌশল মেনে চললে দুধ অনেকক্ষণ তাজা রাখা সম্ভব।













