গণতন্ত্রের উৎসবকে সফল করতে কী না করতে হয়! কোচবিহারের প্রত্যন্ত সীমান্ত এলাকায় ভোটকর্মীদের সেই সংগ্রামেরই এক জীবন্ত ছবি সামনে এল। দুর্গম পথ, নদী আর যোগাযোগহীন গ্রাম—সব বাধা পেরিয়ে ইভিএম নিয়ে পৌঁছে যাচ্ছেন তাঁরা নির্দিষ্ট বুথে।
নদী পেরিয়ে বুথে পৌঁছনোর লড়াই
দিনহাটা মহকুমার সিতাই বিধানসভার জারিধরলা এলাকায় ২৮১ ও ২৮২ নম্বর বুথে পৌঁছানোর একমাত্র পথ Singimari River। তাই ভোটকর্মীদের লাইফ জ্যাকেট পরে নৌকায় চেপে নদী পার হতে হয়েছে। সঙ্গে ছিল ইভিএম ও জরুরি নির্বাচনী সামগ্রী।
বিচ্ছিন্ন গ্রাম, তবু থামেনি ভোটপ্রক্রিয়া
সীমান্তবর্তী এই গ্রামগুলি মূল ভূখণ্ড থেকে অনেকটাই বিচ্ছিন্ন। যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত দুর্বল। তবুও ভোটের কাজ যাতে থেমে না যায়, তার জন্য ভোটকর্মীদের মনোবল ছিল চোখে পড়ার মতো।
ঘোড়ার গাড়িতে ইভিএম, অন্য ছবিও তুফানগঞ্জে
অন্যদিকে Tufanganj-এর বালাভূত এলাকায় দেখা গেল ভিন্ন চিত্র। পাকা রাস্তা না থাকায় ভোটকর্মীদের ঘোড়ার গাড়িতে করে বুথে পৌঁছতে হয়েছে। কোলে ইভিএম নিয়ে দুর্গম পথ অতিক্রম করেছেন তাঁরা।
প্রতিকূলতার মধ্যেও দায়িত্বে অটল কর্মীরা
প্রাকৃতিক বাধা, দুর্গম পরিবেশ—সব কিছু সত্ত্বেও দায়িত্ব পালনে কোনও খামতি রাখেননি ভোটকর্মীরা। তাঁদের এই দুঃসাহসিক যাত্রা গণতন্ত্রের প্রতি দায়বদ্ধতার এক উজ্জ্বল উদাহরণ।
সীমান্তের ভোটেও সমান গুরুত্ব
প্রশাসনের এই উদ্যোগ স্পষ্ট করে—দূরবর্তী হোক বা সীমান্তবর্তী এলাকা, প্রতিটি ভোটারই সমান গুরুত্বপূর্ণ। ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে কোনও বাধাই বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না।
West Bengal Assembly Election 2026-এর আগে Cooch Behar-এর সীমান্তবর্তী এলাকায় ভোটকর্মীদের চ্যালেঞ্জিং যাত্রা নজর কাড়ল। কোথাও নৌকায় নদী পার, কোথাও ঘোড়ার গাড়িতে চেপে পৌঁছতে হচ্ছে বুথে।








