Dhurandhar: The Revenge মুক্তির পরই তোলপাড় শুরু হয়েছে। বিশেষ করে Atiq Ahmed-এর চরিত্রচিত্রণ ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে বিতর্ক তুঙ্গে।
আতীক চরিত্র নিয়ে কী বলছেন প্রাক্তন ডিজিপিরা?
Vikram Singh এবং S. P. Vaid-এর মতে, ছবিতে আতীক আহমেদের যে চিত্র দেখানো হয়েছে, তা তাঁর অপরাধমূলক অতীতের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
তাঁদের দাবি—
আতীক আহমেদের বিরুদ্ধে ১৫০টিরও বেশি মামলা ছিল
জেল থেকেই তিনি নেটওয়ার্ক চালাতেন
আন্তর্জাতিক যোগাযোগের অভিযোগ নতুন নয়
ISI ও লস্করের সঙ্গে যোগ—বাস্তব না অতিরঞ্জন?
প্রাক্তন ডিজিপি বিক্রম সিং দাবি করেছেন, আতীক আহমেদের গ্যাং পাকিস্তান থেকে ড্রোনের মাধ্যমে অস্ত্র পেত।
এই অভিযোগে উঠে এসেছে—
Inter-Services Intelligence (ISI)
Lashkar-e-Taiba
তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এই সংযোগের বিষয়টি তদন্তেও উঠে এসেছে বলে দাবি।
জেলে ‘বিরিয়ানি ট্রিটমেন্ট’—কতটা সত্যি?
ছবির একটি দৃশ্যে দেখানো হয়েছে, আতীক জেলে বিশেষ খাবারের সুবিধা পাচ্ছেন—যাকে বলা হচ্ছে ‘বিরিয়ানি ট্রিটমেন্ট’।
রিপোর্ট অনুযায়ী—
তাঁর ভাই Ashraf Ahmed বাইরে থেকে খাবার আনাতেন
বেআইনি ভাবে জেলের ভিতরে খাবার পৌঁছে দেওয়া হত
ঘটনায় জেলকর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নেওয়া হয়
কাসাভ বিতর্কও টানল ছবির প্রসঙ্গ
Ajmal Kasab-কে নিয়েও ‘বিরিয়ানি’ বিতর্ক ফের সামনে এসেছে।
তবে প্রাক্তন আইপিএস Meeran Borwankar স্পষ্ট জানিয়েছেন—
কাসাভকে কখনও বিশেষ খাবার দেওয়া হয়নি
এই দাবি সম্পূর্ণ ভুয়ো
রাজনৈতিক বিতর্কে উত্তাল পরিস্থিতি
ছবিটিকে অনেকেই “প্রোপাগান্ডা” বলে সমালোচনা করেছেন।
বিরোধী শিবিরের অভিযোগ—চরিত্রকে অতিরঞ্জিত করা হয়েছে
নির্মাতাদের সমর্থকদের দাবি—বাস্তব ঘটনাই তুলে ধরা হয়েছে
‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ মুক্তির পর আতীক আহমেদের চরিত্র নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। ISI যোগ থেকে জেলে ‘বিরিয়ানি ট্রিটমেন্ট’—ছবির উপস্থাপনাকে বাস্তবসম্মত বলেই দাবি করেছেন দুই প্রাক্তন ডিজিপি।













