বৃষ্টির অনুকূল পরিবেশ ও সমুদ্রে পুবালি হাওয়ার প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের উপকূলে ইলিশের ঝাঁক এবার আগেভাগেই ধরা পড়তে শুরু করেছে। ডায়মন্ড হারবার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে ইতিমধ্যেই বিপুল পরিমাণ মাছ পৌঁছেছে, যা চলতি মরশুমে রেকর্ড হিসেবে ধরা হচ্ছে।
![]()
মরশুমের শুরুতেই রেকর্ড ইলিশ
দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন মৎস্যঘাট—কাকদ্বীপ, নামখানা, ফ্রেজারগঞ্জ ও পাথরপ্রতিমা থেকে জালে উঠছে ইলিশ। মৎস্যজীবীদের দাবি, প্রথম দফা ও দ্বিতীয় দফার ট্রিপেই ধারাবাহিকভাবে মাছ পাওয়া যাচ্ছে, যা গত কয়েক বছরের তুলনায় বেশ আশাব্যঞ্জক।
ডায়মন্ড হারবারে ২৫০ টনের বেশি সরবরাহ
মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র সূত্রে জানা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই ২৫০ টনেরও বেশি ইলিশ ডায়মন্ড হারবারে পৌঁছেছে। এই বিপুল সরবরাহ বাজারে চাহিদা ও জোগানের ভারসাম্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।
অন্যান্য মাছেও ভালো ধরা
ইলিশ ছাড়াও এবার সমুদ্রে মিলছে ভোলা, পারশে, লটে, সামুদ্রিক কাঁকড়া ও অন্যান্য মাছ। ফলে জেলেদের সামগ্রিক আয় কিছুটা হলেও স্থিতিশীল হয়েছে বলে জানা গেছে।
![]()
আবহাওয়ার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ
মৎস্যজীবীদের মতে, বৃষ্টি ও পুবালি হাওয়া আরও সক্রিয় হলে ইলিশের পরিমাণ বাড়তে পারে। সমুদ্রের পরিবেশ অনুকূল থাকায় মাছ ধরা এখন তুলনামূলক সহজ হচ্ছে, যা সরাসরি বাজার সরবরাহে প্রভাব ফেলছে।
বাজারে দামের দিকে নজর
সরবরাহ বাড়লেও ইলিশের কেজি প্রতি দাম কত হবে তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। সাধারণত মরশুমের শুরুতে দাম কিছুটা বেশি থাকে, তবে জোগান বাড়লে তা কমার সম্ভাবনা থাকে বলে ব্যবসায়ীদের মত।
![]()
দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবারে এবছর মরশুমের শুরুতেই রেকর্ড পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়েছে। কাকদ্বীপ, নামখানা, ফ্রেজারগঞ্জসহ একাধিক মৎস্যবন্দর থেকে ইতিমধ্যেই প্রায় ২৫০ টনের বেশি ইলিশ বাজারে এসেছে। ফলে কলকাতা ও সংলগ্ন বাজারে ইলিশের সরবরাহ বাড়লেও দামের ওঠানামা নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে কৌতূহল তুঙ্গে।









