কয়েকদিন আগেও চেনা ‘ডোন্ট কেয়ার’ মেজাজে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। বিতর্কিত মন্তব্যে ফের শিরোনামে উঠে এসেছিলেন দিলীপ ঘোষ। কিন্তু রবিবার খড়গপুরে কার্যত ভোলবদল—ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে সাফ জানালেন, তিনি আর কিছু বলবেন না। প্রশ্ন উঠছে, আচমকা এই নীরবতার নেপথ্যে কী?
শাহী নির্দেশে রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তন
ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে দিলীপ ঘোষকে ফের সক্রিয় ভূমিকায় দেখতে চেয়েছিল বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। দলের অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন ভুলে একসঙ্গে লড়াইয়ের বার্তা দেন খোদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই বার্তাতেই চাঙ্গা হয়ে মাঠে নামেন দিলীপ।
বিতর্কিত মন্তব্যে অস্বস্তিতে শীর্ষ নেতৃত্ব
ফের সক্রিয় হওয়ার পরই দিলীপ ঘোষ মন্দির-মসজিদ রাজনীতি নিয়ে মন্তব্য করেন। এমনকি ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে ফৈজাবাদে বিজেপির পরাজয়ের প্রসঙ্গ টেনে আনেন। দলীয় সূত্রের দাবি, এই মন্তব্যগুলি মোটেই ভালোভাবে নেয়নি বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।
অমিত শাহের অসন্তোষ, এল ‘মুখ বন্ধ’ বার্তা
সূত্রের খবর, দিলীপ ঘোষ কোথায় কী বলছেন—সবটাই নজরে রেখেছিলেন অমিত শাহ। তিনি এই মন্তব্যে অসন্তোষ প্রকাশ করে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে বিষয়টি জানান। পাশাপাশি দিলীপকে প্রকাশ্যে বক্তব্য না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
নীরবতা ভেঙে কী বললেন দিলীপ?
এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে দিলীপ ঘোষ বলেন,“পার্টি যা বলবে সেটাই সর্বোপরি। নীতি নির্ধারকরা সিদ্ধান্ত নেবেন। দলের স্ট্র্যাটেজি বা পরিকল্পনা নিয়ে কারা কথা বলবে, সেটা আগে থেকেই ঠিক করা থাকে।”
শাহী নির্দেশে রাজনীতির ময়দানে ফের সক্রিয় হলেও, হঠাৎই ক্যামেরার সামনে মুখ বন্ধ করলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। খড়গপুরে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন—তিনি আর প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করবেন না। দলীয় সূত্রের খবর, অমিত শাহের নির্দেশেই এই নীরবতা।











