৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবসের আনন্দে ভারত যখন দেশজুড়ে উৎসবে মেতে, ঠিক সেই সময়ই ওয়াশিংটন থেকে এল শুভেচ্ছাবার্তা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানালেন, ভারত ও আমেরিকার সম্পর্ক শুধু কৌশলগত নয়—তা ঐতিহাসিক বন্ধনে বাঁধা।
‘দুই বৃহৎ গণতন্ত্রের ঐতিহাসিক সম্পর্ক’
মার্কিন জনগণের পক্ষ থেকে ভারত সরকার ও দেশের মানুষকে প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনের শুভেচ্ছা জানান তিনি।
প্রজাতন্ত্র দিবসের ঐতিহাসিক গুরুত্ব
১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি থেকে ভারতের সংবিধান কার্যকর হয়েছিল। সেই ঐতিহাসিক দিনটির স্মরণে প্রতিবছর প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করা হয়। সোমবার ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনে দেশজুড়ে কুচকাওয়াজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মেতে ওঠে ভারত।
মার্কো রুবিওর বার্তাও কূটনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ
ট্রাম্পের আগেই মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও ভারতকে প্রজাতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা জানান। তিনি ভারত-আমেরিকার মধ্যে প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার কথা বিশেষভাবে তুলে ধরেন, যা ভবিষ্যৎ কৌশলগত সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার ইঙ্গিত বলে মনে করা হচ্ছে।
কর্তব্য পথে মার্কিন উপস্থিতি
কর্তব্য পথে প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে যোগ দেন ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্গিও গোর। তিনি বলেন,
“ভারতের সংবিধান ও গণতান্ত্রিক চেতনার উদযাপনে অংশ নিতে পেরে আমি গর্বিত।”
ভারতীয় আকাশে মার্কিন-নির্মিত বিমানের উড়ানকে ভারত-মার্কিন কৌশলগত অংশীদারিত্বের শক্তিশালী প্রতীক বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
টানাপড়েনের আবহেও শুভেচ্ছা বার্তা
রাশিয়া থেকে তেল কেনা নিয়ে সম্প্রতি ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের কিছুটা টানাপড়েন তৈরি হয়েছে। ভারতীয় পণ্যের উপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘটনাও আলোচনায়। এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের প্রজাতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছাবার্তা কূটনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।
ভারতের ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবসে শুভেচ্ছা জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভারত ও আমেরিকাকে বিশ্বের প্রাচীনতম ও বৃহত্তম দুই গণতন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করে দু’দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন তিনি। এই বার্তাকে কূটনৈতিক দিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।











