পশ্চিমবঙ্গে কথিত PDS ঘোটালায় কলকাতা বর্ধমান ও হাওড়ায় প্রবर्तन অধিদপ্তরের তল্লাশি

পশ্চিমবঙ্গে পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম সংক্রান্ত কথিত ঘোটালার তদন্তে প্রবर्तन অধিদপ্তর কলকাতা বর্ধমান ও হাওড়ায় একাধিক স্থানে তল্লাশি চালিয়েছে, যেখানে গম ও চালের অবৈধ বিক্রি এবং মনি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

প্রবर्तन অধিদপ্তর পশ্চিমবঙ্গে কথিত পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম (PDS) সংক্রান্ত ঘোটালার তদন্তে কলকাতা, বর্ধমান এবং হাওড়ায় একাধিক স্থানে তল্লাশি চালিয়েছে, যেখানে গম ও চালের অবৈধ বিক্রি এবং হেরাফেরির মাধ্যমে অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে।

মনি লন্ডারিংয়ের আশঙ্কায় পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় একযোগে অভিযান শুরু করে প্রবर्तन অধিদপ্তর। কলকাতা, বর্ধমান এবং হাওড়ায় মোট নয়টি স্থানে তল্লাশি চালিয়ে দলগুলি নথি এবং লেনদেন সংক্রান্ত রেকর্ড পরীক্ষা করে। এই তল্লাশি মূলত সেই সরবরাহকারী এবং ব্যবসায়ীদের কেন্দ্র করে, যাদের বিরুদ্ধে পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমের শস্য হেরাফেরি এবং বেআইনি বিক্রির সন্দেহ রয়েছে। তদন্তকারী সংস্থার মতে, এই নেটওয়ার্ক দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় থাকতে পারে।

পশ্চিমবঙ্গে কথিত PDS ঘোটালায় কলকাতা বর্ধমান ও হাওড়ায় প্রবर्तन অধিদপ্তরের তল্লাশি

অভিযোগ অনুযায়ী, কল্যাণমূলক প্রকল্পের আওতায় বিতরণের জন্য নির্ধারিত গম ও চাল প্রাপকদের কাছে পৌঁছায়নি, বরং তা অবৈধ বাজারে বিক্রি করা হয়েছে। এই কথিত অনিয়মের ফলে সরকারি বিতরণ ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি সামনে আসে শুল্ক দপ্তরের অভিযোগের ভিত্তিতে, যার পর স্থানীয় পুলিশ এফআইআর দায়ের করে। প্রাথমিক তদন্তে বড় আকারে শস্যের অপব্যবহার এবং আর্থিক অনিয়মের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

প্রবर्तन অধিদপ্তর এখন এই নেটওয়ার্কের আর্থিক সংযোগগুলিকে অনুসন্ধান করছে এবং একাধিক ব্যবসায়ী ও কথিত মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা খতিয়ে দেখছে। সংস্থাটি খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে, কীভাবে অর্থ বিভিন্ন মাধ্যমে ঘুরে মনি লন্ডারিং পর্যন্ত পৌঁছেছে। মামলার সংবেদনশীলতা বিবেচনায় তদন্ত জোরদার করা হয়েছে এবং কর্মকর্তারা নথি ও ডিজিটাল রেকর্ডের বিস্তারিত পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছেন।

 

Leave a comment