নিউজিল্যান্ডের সাবেক টেস্ট ক্রিকেটার ট্রেভর ম্যাকমাহোন ৯৬ বছর বয়সে মারা গেছেন

নিউজিল্যান্ডের সাবেক টেস্ট ক্রিকেটার ও উইকেটকিপার-ব্যাটার ট্রেভর ম্যাকমাহোন ৯৬ বছর বয়সে মারা গেছেন। নিউ জিল্যান্ড ক্রিকেট জানিয়েছে, ১২ মার্চ তাঁর মৃত্যু হয়। ১৯৫৫–৫৬ মৌসুমে পাকিস্তানের বিপক্ষে করাচিতে তিনি টেস্ট অভিষেক করেন এবং নিউ জিল্যান্ডের হয়ে মোট পাঁচটি টেস্ট ম্যাচ খেলেন।

নিউজিল্যান্ডের সাবেক টেস্ট ক্রিকেটার ও উইকেটকিপার-ব্যাটার ট্রেভর ম্যাকমাহোন ৯৬ বছর বয়সে মারা গেছেন। নিউ জিল্যান্ড ক্রিকেট এক বিবৃতিতে তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

নিউ জিল্যান্ড ক্রিকেট জানায়, ট্রেভর ম্যাকমাহোন ১২ মার্চ মারা গেছেন। তিনি নিউ জিল্যান্ডের জীবিত সবচেয়ে প্রবীণ টেস্ট ক্রিকেটার ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর নিউ জিল্যান্ড ক্রিকেট এবং ওয়েলিংটন ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়েছে।

ট্রেভর জর্জ ম্যাকমাহোনের জন্ম ৮ নভেম্বর ১৯২৯ সালে নিউ জিল্যান্ডের ওয়েলিংটনে। তিনি পেশায় উইকেটকিপার-ব্যাটার ছিলেন।

১৯৫৫–৫৬ মৌসুমে পাকিস্তান ও ভারত সফরের জন্য প্রথমবার নিউ জিল্যান্ডের টেস্ট দলে তাঁকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ওই সফরের সময়ই করাচিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিনি টেস্ট অভিষেক করেন। সেই সময়ে নিউ জিল্যান্ড দল উপমহাদেশে দীর্ঘ সফরে ছিল এবং পাকিস্তান ও ভারতের বিপক্ষে একাধিক ম্যাচ খেলেছিল।

তবে তিনি ভারতের বিপক্ষে কোনো ম্যাচে খেলেননি।

ট্রেভর ম্যাকমাহোন নিউ জিল্যান্ডের হয়ে মোট ৫টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন।

উইকেটকিপার হিসেবে তিনি দলের হয়ে দায়িত্ব পালন করেন। ব্যাটিংয়ে তিনি উল্লেখযোগ্য সাফল্য পাননি। পাঁচটি টেস্টে তিনি মোট ৭ রান করেন এবং তাঁর সর্বোচ্চ স্কোর ছিল অপরাজিত ৪ রান।

টেস্ট ক্রিকেটের পাশাপাশি তিনি প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটেও অংশ নেন।

৩৭টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচে তিনি ৪৪৯ রান করেন এবং তাঁর সর্বোচ্চ স্কোর ছিল ৪২ রান।

১৯৫৬ সালে ডানেডিনের ক্যারিসব্রুক মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিনি শেষ টেস্ট ম্যাচ খেলেন।

নিউ জিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড তাদের বিবৃতিতে জানায়, ম্যাকমাহোনের মৃত্যু দেশটির ক্রিকেট ইতিহাসের জন্য একটি ক্ষতি। বোর্ড আরও জানায়, তিনি নিউ জিল্যান্ডের জীবিত সবচেয়ে প্রবীণ টেস্ট ক্রিকেটার ছিলেন এবং এমন এক সময়ে জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন যখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের কাঠামো বর্তমান সময়ের তুলনায় ভিন্ন ছিল।

বিবৃতিতে বলা হয়, ১৯৫৫–৫৬ সালের ঐতিহাসিক সফরের জন্য তাঁর দলে অন্তর্ভুক্ত হওয়া একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা ছিল।

ওই সফরে খেলা আটটি টেস্ট ম্যাচের মধ্যে চারটিতে তিনি অংশ নেন। নিউ জিল্যান্ড ক্রিকেট তাঁর পরিবার ও বন্ধুদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে।

 

Leave a comment