ফার্টিলিটি পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা গৌডিয়াম আইভিএফ শেয়ারবাজারে ইতিবাচক সূচনা করেছে। বাজারের তুলনামূলকভাবে মন্থর পরিস্থিতির মধ্যেও সংস্থার শেয়ার ৭৯ টাকার ইস্যু মূল্যের বিপরীতে ৮৩ টাকায় তালিকাভুক্ত হয়। এর ফলে তালিকাভুক্তির প্রথম দিনেই বিনিয়োগকারীরা প্রায় ৫ শতাংশ লাভ পান।
তালিকাভুক্তির পর শেয়ার দামে সামান্য পতন লক্ষ্য করা যায় এবং কিছু মুনাফা বুকিং হয়, তবে সার্বিকভাবে সূচনা ইতিবাচক ছিল।
সংস্থার শেয়ার ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ অব ইন্ডিয়া এবং বোম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ উভয় বাজারেই ৮৩ টাকায় তালিকাভুক্ত হয়। প্রধান দুই বাজারে একই দামে সূচনা হয়। প্রাথমিক লেনদেন চলাকালীন কিছু মুনাফা বুকিংয়ের ফলে শেয়ার তালিকাভুক্তির দামের তুলনায় সামান্য নিচে নেমে আসে।
তালিকাভুক্তির আগে অনানুষ্ঠানিক বাজারে শেয়ার প্রায় ইস্যু মূল্যের কাছাকাছি লেনদেন হচ্ছিল। সেই প্রেক্ষাপটে ৮৩ টাকায় তালিকাভুক্তিকে প্রত্যাশার তুলনায় উন্নত হিসেবে দেখা হয়েছে।
সংস্থার পাবলিক ইস্যু মোট ৭.২৭ গুণ সাবস্ক্রিপশন পায়। সংস্থা ১৪.৬২ মিলিয়ন শেয়ার প্রস্তাব করেছিল, যার বিপরীতে বিনিয়োগকারীরা ১০৬.৩৫ মিলিয়ন শেয়ারের জন্য আবেদন করেন।
বিভিন্ন বিনিয়োগকারী শ্রেণির অংশগ্রহণে অ-প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশ ১৪.০৫ গুণ সাবস্ক্রাইব হয়। খুচরা বিনিয়োগকারীদের অংশ ৭.৬০ গুণ পূরণ হয়। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য সংরক্ষিত অংশের বিপরীতে ১.৬২ গুণ আবেদন জমা পড়ে।
গৌডিয়াম আইভিএফের পাবলিক ইস্যু ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে খোলে এবং ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে বন্ধ হয়। শেয়ার বরাদ্দ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে চূড়ান্ত করা হয়। সংস্থা প্রতি লটে ১৮৯টি শেয়ার নির্ধারণ করেছিল।
ইস্যু থেকে সংগৃহীত অর্থের মধ্যে প্রায় ৫০ কোটি টাকা নতুন আইভিএফ কেন্দ্র স্থাপনে ব্যয় করা হবে। প্রায় ২০ কোটি টাকা পুরনো ঋণ পরিশোধ বা আগাম নিষ্পত্তিতে ব্যবহার করা হবে। অবশিষ্ট অর্থ সাধারণ কর্পোরেট প্রয়োজন ও পরিচালন ব্যয়ে ব্যয় করা হবে।
দেশে ফার্টিলিটি এবং মহিলা স্বাস্থ্য পরিষেবার চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। জীবনযাত্রার পরিবর্তন, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং চিকিৎসা সুবিধার প্রাপ্যতার কারণে আইভিএফ পরিষেবার বিস্তার হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে সংস্থা নতুন কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা করেছে।










