India-এ সোনার বাজারে অস্বস্তির মেঘ। সরকারি অনুমোদন না থাকায় কাস্টমসে আটকে রয়েছে বিপুল পরিমাণ সোনা। এর জেরে আমদানি কার্যত বন্ধ, আর তাতেই প্রশ্ন—এখন সোনা কেনা বুদ্ধিমানের কাজ, নাকি অপেক্ষাই সেরা সিদ্ধান্ত?
আমদানি বন্ধ, সরবরাহে ধাক্কা
দেশে ব্যবহৃত অধিকাংশ সোনাই বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। কিন্তু নতুন আর্থিক বছরের শুরুতে সরকারি ছাড়পত্র না মেলায় ব্যাংকগুলির মাধ্যমে সোনা ও রূপোর আমদানি আপাতত বন্ধ। ফলে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে আসা সোনা কাস্টমসেই আটকে রয়েছে, যা সরাসরি বাজারের জোগানে প্রভাব ফেলছে।
কাস্টমসে আটকে কয়েক টন সোনা
ব্যবসায়ী মহলের দাবি, প্রায় ৫ মেট্রিক টন সোনা এবং ৮ টনের বেশি রূপো এখনও ছাড়পত্রের অপেক্ষায়। পুরনো চালান ক্লিয়ার না হওয়া পর্যন্ত নতুন আমদানি সম্ভব নয়। ফলে বাজারে সরবরাহ আরও কমার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
দাম বাড়বে নাকি কমবে? দুই সম্ভাবনা
এই পরিস্থিতিতে দাম কোন দিকে যাবে, তা নির্ভর করছে চাহিদার উপর।
যদি চাহিদা স্থির থাকে এবং সরবরাহ কমে যায় → সোনার দাম আরও বাড়তে পারে
যদি চাহিদা কমে যায় → দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে
বিশেষজ্ঞদের মতে, অক্ষয় তৃতীয়ার মতো উৎসবের আগে চাহিদা সাধারণত বাড়ে, তাই দাম বাড়ার সম্ভাবনাই বেশি।
কেন এই সিদ্ধান্ত? সরকারের লক্ষ্য কী
সরকার মূলত আমদানি ব্যয় কমিয়ে দেশের মুদ্রার ওপর চাপ কমাতে চাইছে। কারণ সোনা-রূপোর আমদানিতে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা খরচ হয়। সেই কারণেই আপাতত আমদানিতে নিয়ন্ত্রণ আনা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
কখন মিলবে স্বস্তি?
সাধারণত প্রতি বছর অর্থবর্ষের শুরুতে DGFT নতুন আমদানির অনুমতি দেয়। কিন্তু এবার এপ্রিলের মাঝামাঝি পেরিয়েও কোনও নির্দেশ জারি হয়নি। ফলে অনিশ্চয়তা আরও বাড়ছে।
দেশে সোনার আমদানি সাময়িকভাবে বন্ধ থাকায় কাস্টমসে আটকে রয়েছে কয়েক টন সোনা ও রূপো। সরবরাহে এই ঘাটতির জেরে ভবিষ্যতে সোনার দাম বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা। তবে চাহিদা কমলে কিছুটা স্বস্তিও মিলতে পারে—এমনটাই বলছে বাজার বিশ্লেষকরা।












