দেশের বাজারে সোনার দামে সামান্য পতন, চাঁদির ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত

দেশের বাজারে সোনার দামে সামান্য পতন, চাঁদির ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত

দেশে টানা ঊর্ধ্বগতির পর সোনার দামে সাময়িক বিরতি দেখা দিয়েছে। ১৬ জানুয়ারির সকালে লেনদেনে সোনার দামে সামান্য পতন লক্ষ্য করা গেছে। গত কয়েক দিন ধরে সোনা রেকর্ড উচ্চতার কাছাকাছি অবস্থান করছিল। তবে এখন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উভয় বাজারেই কিছুটা নরম হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে। রাজধানী দিল্লি থেকে শুরু করে মুম্বইসহ বিভিন্ন বড় শহরে সোনার দর কমেছে।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে চাপ এবং মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতার কারণে সোনার সাম্প্রতিক ঊর্ধ্বগতি আপাতত থমকে গেছে।

দিল্লিতে ১৬ জানুয়ারির সকালে ২৪ ক্যারেট সোনার দাম কমে প্রতি ১০ গ্রামে ১,৪৩,৭৬০ রুপিতে নেমেছে। একই সময়ে ২২ ক্যারেট সোনার দর ছিল প্রতি ১০ গ্রামে ১,৩১,৭৯০ রুপি। আগের সেশনের তুলনায় এই পতন সীমিত।

মুম্বইয়ে ২৪ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ১০ গ্রামে ১,৪৩,৬১০ রুপি এবং ২২ ক্যারেট সোনার দর ১,৩১,৬৪০ রুপি। একই দাম চেন্নাই ও কলকাতাতেও দেখা যাচ্ছে।

পুণে ও বেঙ্গালুরুতেও সোনার দামে বড় কোনও পার্থক্য নেই। এই শহরগুলিতে ২৪ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ১০ গ্রামে ১,৪৩,৬১০ রুপি এবং ২২ ক্যারেট সোনার দর ১,৩১,৬৪০ রুপি।

আহমেদাবাদে ২২ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ১০ গ্রামে ১,৩১,৬৯০ রুপি এবং ২৪ ক্যারেট সোনার দর ১,৪৩,৬৬০ রুপি। জয়পুর, লখনউ ও চণ্ডীগড়ে ২২ ক্যারেট সোনা প্রতি ১০ গ্রামে ১,৩১,৭৯০ রুপি এবং ২৪ ক্যারেট সোনা ১,৪৩,৭৬০ রুপিতে লেনদেন হয়েছে। ভোপালসহ মধ্য ভারতের অন্যান্য শহরেও সোনার দাম প্রায় একই স্তরে রয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামেও দুর্বলতা দেখা যাচ্ছে। বৈশ্বিক বাজারে সোনার স্পট মূল্য নেমে এসেছে প্রতি আউন্সে ৪,৬১৪.৪৫ ডলারে। এর আগে সোনা উচ্চ স্তরে অবস্থান করছিল।

অন্যদিকে, সোনার তুলনায় চাঁদির দামে ঊর্ধ্বগতি বজায় রয়েছে। ১৬ জানুয়ারির সকালে দেশে চাঁদির দাম বেড়ে প্রতি কিলোগ্রামে ২,৯৫,১০০ রুপিতে পৌঁছেছে। চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত চাঁদির দামে প্রায় ২১ শতাংশ বৃদ্ধি নথিভুক্ত হয়েছে।

শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহার ও বিনিয়োগ চাহিদার কারণে চাঁদির দামে সমর্থন মিলছে। সৌর প্যানেল, বৈদ্যুতিক যান এবং অন্যান্য শিল্পে চাঁদির ব্যবহার বৃদ্ধির প্রভাব দামে প্রতিফলিত হচ্ছে।

 

Leave a comment