মহিলা ক্রিকেট বেতন বৈষম্য: বিশ্বজয়ের গৌরবের পর এবার মহিলা ক্রিকেটারদের বার্ষিক চুক্তির বেতন বাড়ার সম্ভাবনায় আশাবাদী ভারত অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর। বর্তমানে পুরুষ ক্রিকেটারদের সর্বোচ্চ চুক্তি বছরে ৭ কোটি টাকা হলেও মহিলারা পান মাত্র ৫০ লাখ। হরমন বলেন, এতদিন বড় টুর্নামেন্টে সাফল্য না থাকায় মহিলাদের আয় বাড়েনি, কিন্তু আইসিসি ট্রফি জয়ের পর পরিস্থিতি বদলাতে পারে। একই সঙ্গে তিনি কঠিন সময়ে পাশে থাকার জন্য বিসিসিআইকে ধন্যবাদ জানান।

বিশ্বজয়ের পর বদলাতে পারে বেতন কাঠামো
ভারতীয় মহিলা দলের বিশ্বজয়ের পর দেশের ক্রিকেটমহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে বেতন বৈষম্য নিয়ে।পুরুষ ক্রিকেটাররা বছরে ৭ কোটি পর্যন্ত পান, সেখানে মহিলাদের সর্বোচ্চ চুক্তি মাত্র ৫০ লাখ।এই ব্যবধান মেটানোর সম্ভাবনাতেই রোমাঞ্চিত হরমনপ্রীত কৌর।
‘এতদিন আমরা প্রমাণ করতে পারিনি’ — অকপট হরমন
হরমন জানান, এতদিন আইসিসি ট্রফিতে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স না থাকায় বেতন কাঠামো পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি হয়নি।তিনি বলেন, “২০১৭ সালে ফাইনালে ওঠার পর কিছুটা উন্নতি হয়েছিল। তার আগে আমরা ১৫ লাখ পেতাম, তারপর সেটাই বেড়ে হয় ৫০ লাখ।”বিশ্বরূপা বদলে দেওয়া এই জয়ের পর মহিলাদের ব্র্যান্ড ভ্যালু আরও বাড়বে বলেও মত তাঁর।

পে প্যারিটি ছিল ম্যাচ ফি-তে, চুক্তিতে নয়
জয় শাহের উদ্যোগে পুরুষ ও মহিলা ক্রিকেটারদের সমান ম্যাচ ফি চালু হলেও বার্ষিক চুক্তির অঙ্কে এখনও বিশাল ফারাক।প্রতি ম্যাচে সমান পারিশ্রমিক পেলেও মেয়েরা মোট আয়েও পিছিয়ে।তাই বার্ষিক চুক্তিই এখন মূল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।
বিসিসিআইকে ধন্যবাদ অধিনায়কের
হরমনপ্রীত জানিয়েছেন, কঠিন সময়েও বোর্ড তাঁদের পাশে ছিল।তিনি বিশ্বাস করেন, বিশ্বজয়ের পর বোর্ড আরও সহায়ক ভূমিকা নেবে এবং মেয়েদের ক্রিকেটে বিনিয়োগও বাড়বে।হরমনের ভাষায়, “এই জয়ই বদলে দেবে মহিলাদের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ।

ভারতের ইতিহাস গড়া বিশ্বজয়ের পর মহিলা ক্রিকেটারদের বেতন কাঠামো বদলাতে পারে বলে আশা প্রকাশ করলেন অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর। তিনি বলেন, এতদিন মহিলারা নিজেদের প্রমাণ করতে না পারায় বার্ষিক চুক্তিতে বৈষম্য ছিল। তবে বিশ্বজয়ের সাফল্য এবার পরিস্থিতি বদলাবে।










