রঙে রঙিন দোলের দিনে যখন চারদিক আবিরে মাখামাখি, তখনই সামনে এল সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। রমজানের পবিত্র মাসে রোজা রেখেও দোল উৎসবে যোগ দিলেন শেখ রাজেশ। খোল-করতালের সুরে, কচিকাঁচাদের সঙ্গে আবির খেলায় মেতে উঠে তিনি প্রমাণ করলেন—উৎসব মানেই মিলন, বিভাজন নয়।
বসন্ত উৎসবে মানুষের ঢল
চুঁচুড়া তোলাফটক যুব সংঘ বাসন্তী পূজা কমিটির পরিচালনায় এদিন বসন্ত উৎসবে উপচে পড়ে ভিড়। সকাল থেকেই এলাকায় রঙের উচ্ছ্বাস, ছোটদের হাসি আর বড়দের উৎসাহে জমে ওঠে পরিবেশ। খোল-করতালের তালে তালে শুরু হয় নগর পরিক্রমা।
তিন কিলোমিটার রঙের যাত্রা
প্রায় তিন কিলোমিটার রাস্তা জুড়ে আবিরের মেঘ। শেখ রাজেশ তাঁর প্রতিবেশীদের সঙ্গে পা মিলিয়ে পুরো পথ হেঁটেছেন। কারও হাতে লাল, কারও হাতে সবুজ, কারও হাতে হলুদ আবির—সব রং মিলেমিশে যেন একাত্মতার প্রতীক হয়ে উঠেছিল।
দায়িত্ব ও সম্প্রীতির বার্তা
শেখ রাজেশ শুধু অংশগ্রহণকারী নন, তিনি বাসন্তী পূজা কমিটির কোষাধ্যক্ষ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। আয়োজনে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা ছিল। রোজা রেখেও উৎসবের প্রতিটি পর্বে উপস্থিত থেকে তিনি দেখালেন—ধর্মীয় আচার মানার পাশাপাশি সামাজিক বন্ধনও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
রমজান ও দোল—একই মঞ্চে মিলনের সুর
এ বছর রমজান ও দোল একসঙ্গে পড়ায় অনেকেই কৌতূহলী ছিলেন। কিন্তু চুঁচুড়ার এই ছবি স্পষ্ট করল, উৎসবের আনন্দ কোনও এক ধর্মের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এখানে সব রঙ একাকার হয়ে যায়, মানুষই বড় হয়ে ওঠে।
Holi ২০২৬-এ চুঁচুড়ায় দোলযাত্রা ঘিরে দেখা গেল সম্প্রীতির এক অনন্য ছবি। রমজান মাসে রোজা রেখেও বসন্ত উৎসবে সামিল হলেন শেখ রাজেশ। Chunchura-র তোলাফটক যুব সংঘ বাসন্তী পূজা কমিটির আয়োজনে তিন কিলোমিটার নগর পরিক্রমায় অংশ নিয়ে তিনি বার্তা দিলেন—রঙের উৎসবে ধর্মের ভেদাভেদ নেই।








