ভ্যালেন্টাইন্স ডে যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে গোলাপের চাহিদা। ক্ষেত থেকে পাইকারি বিক্রি শুরু হয়ে গিয়েছে। কিন্তু ঠিক এই সময়েই ভাইরাস সংক্রমণে সমস্যায় পড়েছেন হাওড়ার গোলাপ চাষিরা। পাতায় হলদে দাগ, ঝরে পড়ছে পাতা— ফলনে প্রভাব পড়ার আশঙ্কায় কপালে ভাঁজ কৃষকদের।
ফেব্রুয়ারি মানেই গোলাপের সোনালি সময়
ফেব্রুয়ারি মাস জুড়ে বিয়ে ও বিশেষ অনুষ্ঠান ছাড়াও ভ্যালেন্টাইন্স ডে-কে কেন্দ্র করে গোলাপের চাহিদা বহুগুণ বাড়ে। সারা বছর যত্নে চাষের পর এই সময়টার অপেক্ষাতেই থাকেন কৃষকেরা।১৪ ফেব্রুয়ারির আগের সপ্তাহ থেকেই বাজারে গোলাপের বিক্রি তুঙ্গে ওঠে।
কোথায় বেশি চাষ?
Bagnan-এর বিরামপুর, বাঁকুড়দহ, হেলেদ্বীপ-সহ একাধিক গ্রামে ব্যাপকভাবে গোলাপ চাষ হয়।
ক্ষেত থেকেই খুচরো ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা ফুল সংগ্রহ করেন। গত কয়েক বছরে মরশুমে ক্ষেত থেকে সরাসরি গোলাপ কিনতে ভিড় লেগে যেত।
দাম কত?
বর্তমানে ক্ষেত থেকে গোলাপ বিক্রি হচ্ছে পিস প্রতি ৬ থেকে ১০ টাকা দরে।
বড় আকার ও আকর্ষণীয় ফুলের দাম আরও বেশি।
খুচরো বাজারে সেই দাম কয়েক গুণ পর্যন্ত বাড়ছে। বিশেষ করে ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছয়।
ভাইরাস সংক্রমণে উদ্বেগ
স্থানীয় চাষিদের দাবি, গত কয়েক বছরে গোলাপ গাছে ভাইরাস আক্রমণ বেড়েছে।
সংক্রমণের লক্ষণ:
গাছের পাতা হলুদ হয়ে যাওয়া
পাতা ঝরে পড়া
গাছ দুর্বল হয়ে ফলন কমে যাওয়া
চাষিদের আশঙ্কা, এই সংক্রমণ যদি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে না আসে, তাহলে সবচেয়ে লাভজনক মরশুমেই বড় ক্ষতির মুখে পড়তে হতে পারে।
কী বলছেন চাষিরা?
স্থানীয় কয়েকজন চাষির কথায়, বাজার ভাল থাকলেও গাছের স্বাস্থ্য নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ওষুধ প্রয়োগ করা হলেও সব ক্ষেত্রে ফল মিলছে না। ফলে চাহিদা থাকলেও সরবরাহে সমস্যা দেখা দিতে পারে।

ফেব্রুয়ারি মানেই গোলাপের সেরা বাজার। কিন্তু ১৪ ফেব্রুয়ারি Valentine's Day-র আগে হাওড়ার বিভিন্ন এলাকায় গোলাপ গাছে ভাইরাস সংক্রমণের অভিযোগ উঠেছে। চাহিদা ও দাম বাড়লেও ফলন নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছেন চাষিরা।













