বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে প্রাথমিক লেনদেনে সেনসেক্স ও নিফটি ৫০ পতনের ফলে ভারতীয় শেয়ারবাজার নিম্নমুখী

বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে প্রাথমিক লেনদেনে সেনসেক্স ও নিফটি ৫০ পতনের ফলে ভারতীয় শেয়ারবাজার নিম্নমুখী

শুক্রবার বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থানের প্রেক্ষাপটে ভারতীয় শেয়ারবাজারে পতন লক্ষ্য করা গেছে। প্রাথমিক লেনদেনে প্রধান সূচক BSE Sensex এবং Nifty 50 উভয়ই দুর্বল প্রবণতায় লেনদেন করতে দেখা যায়।

বৈশ্বিক উত্তেজনার মধ্যে ভারতের শেয়ারবাজারে ওঠানামা অব্যাহত রয়েছে। টানা তিন দিনের পতনের পর বৃহস্পতিবার বাজারে কিছুটা পুনরুদ্ধার দেখা গিয়েছিল, তবে শুক্রবার আবারও বাজার নেতিবাচক অঞ্চলে লেনদেন করতে দেখা যায়। United States, Israel এবং Iran-এর মধ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনার ফলে বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি গ্রহণের সক্ষমতা কমেছে, যার প্রভাব বাজারে প্রতিফলিত হয়েছে।

তবে বৃহস্পতিবার ভারতীয় বেঞ্চমার্ক সূচকগুলো ঊর্ধ্বমুখী অবস্থায় বন্ধ হয়েছিল। Nifty 50 285 পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে 24,765 স্তরে বন্ধ হয়, আর BSE Sensex 899 পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে 80,015 স্তরে পৌঁছায়। একই সময়ে Nifty Bank প্রায় 300 পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে 59,055 স্তরে বন্ধ হয়।

শুক্রবার বাজারের সূচনা দুর্বল ছিল। প্রাথমিক লেনদেনে BSE Sensex প্রায় 551 পয়েন্ট বা প্রায় 0.69 শতাংশ কমে প্রায় 79,464 স্তরে নেমে আসে। একই সময়ে Nifty 50 প্রায় 160 পয়েন্ট বা প্রায় 0.6 শতাংশ কমে 24,605 স্তরে লেনদেন করতে দেখা যায়।

এর আগে প্রি-ওপেনিং সেশনেও বাজারে দুর্বলতা লক্ষ্য করা যায়। সে সময় Sensex প্রায় 320 পয়েন্ট কমে প্রায় 79,694 স্তরে খোলে, আর Nifty প্রায় 128 পয়েন্ট কমে 24,637 স্তরে দেখা যায়। এই পতন বৈশ্বিক বাজারে চলমান অনিশ্চয়তার প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার ভারতীয় শেয়ারবাজার টানা তিন দিনের পতনের ধারাবাহিকতা ভেঙে ঊর্ধ্বমুখী বন্ধ হয়েছিল। ওই দিনে Nifty 50 প্রায় 285 পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে 24,765 স্তরে বন্ধ হয়। একই সময়ে BSE Sensex প্রায় 899 পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে 80,015 স্তরে পৌঁছায়। এছাড়া ব্যাংকিং খাতেও ঊর্ধ্বগতি দেখা যায়, যেখানে প্রধান ব্যাংকিং সূচক Nifty Bank প্রায় 300 পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে 59,055 স্তরে বন্ধ হয়েছিল।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান সময়ে বিনিয়োগকারীদের নজর বৈশ্বিক ঘটনাপ্রবাহের উপর কেন্দ্রীভূত রয়েছে। পশ্চিম এশিয়ায় বাড়তে থাকা উত্তেজনার কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারেও অস্থিরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

 

Leave a comment