ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষিতে ৪০ দিন পর দুই দেশের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। এই সমঝোতায় পাকিস্তান মধ্যস্থতার দাবি করেছে। সাম্প্রতিক একাধিক দফা আলোচনার পর এই চুক্তি সামনে আসে, যেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনকে ইরানকে আলোচনায় রাজি করানোর কৃতিত্ব দেন। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও বৈশ্বিক বাণিজ্যপথ সুরক্ষিত রাখার উদ্দেশ্যে চীন উভয় পক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি করে, যার ফলে এই অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি সম্ভব হয়েছে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নেতাদের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে টেলিফোনে আলোচনা করেন। মঙ্গলবার তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ট্রাম্প, ভ্যান্স, রুবিও, উইটকফ এবং ইরানি নেতাদের ট্যাগ করে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেন।

পাকিস্তান জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী দুইটি অনুরোধ করেছিলেন: মার্কিন পক্ষ তাদের সময়সীমা দুই সপ্তাহ বাড়াবে এবং ইরান একই সময়ের জন্য হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত রাখবে। এই উদ্যোগ দুই দেশের মধ্যে আলোচনাকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখে।
মার্কিন প্রতিবেদনের মতে, চীন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়ের ওপর চাপ প্রয়োগ করে যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখে। এই পদক্ষেপ আঞ্চলিক নিরাপত্তার পাশাপাশি বৈশ্বিক তেল সরবরাহ ও বাণিজ্যপথের স্থিতিশীলতার সঙ্গেও যুক্ত।
বিশেষজ্ঞদের মতে, চীনের মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে আস্থার পরিবেশ তৈরি হয়েছে, যা ভবিষ্যতে আরও স্থায়ী আলোচনার পথ প্রশস্ত করতে পারে।











