দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান! অবশেষে আধা সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) মেটানোর প্রক্রিয়া শুরু করল রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যেই প্রশাসনিক স্তরে তৎপরতা শুরু হয়েছে।

তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু
সূত্রের খবর, Bikash Bhavan-এ ইতিমধ্যেই কর্মীদের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের তথ্যও চাওয়া হয়েছে।
কোন সময়ের ডিএ হিসাব হচ্ছে?
জানা গিয়েছে, ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত সময়ের ডিএ বকেয়ার হিসাব করা হচ্ছে।
এই সময়ের মধ্যে—
কর্মীদের পদ
ব্যান্ড পে
অ্যাকাডেমিক গ্রেড পে
ইত্যাদি খুঁটিনাটি তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

তিন ভাগে ভাগ করে হচ্ছে হিসাব
ডিএ বকেয়ার হিসাব জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ—এই তিনটি আলাদা সময়পর্বে ভাগ করে করা হচ্ছে। এতে নির্ভুল হিসাব তৈরি করা সহজ হবে বলে মনে করছে প্রশাসন।
এরপর কী পদক্ষেপ?
সমস্ত তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই প্রক্রিয়া শেষ হলে ‘ম্যাচিং অর্ডার’ জারি করা হবে। এরপরই আনুষ্ঠানিকভাবে বকেয়া ডিএ প্রদানের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

নবান্নে বৈঠক, দ্রুত সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত
১ এপ্রিল Nabanna-এ অর্থ দফতরের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন স্কুল শিক্ষা দফতরের শীর্ষ কর্তারা। সেখানে শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী ও পেনশনভোগীদের প্রাপ্য ডিএ-র হিসাব দ্রুত তৈরি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আধা সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলির শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া ডিএ মেটাতে উদ্যোগ নিল রাজ্য। ইতিমধ্যেই তথ্য সংগ্রহ ও হিসাবনিকাশের কাজ শুরু হয়েছে।











