যাদবপুর হস্টেলে র‍্যাগিংবিরোধী বিক্ষোভ, পড়ুয়াদের দাবি অভিযুক্তদের সরানো হোক

যাদবপুর হস্টেলে র‍্যাগিংবিরোধী বিক্ষোভ, পড়ুয়াদের দাবি অভিযুক্তদের সরানো হোক

Jadavpur University Hostel: নিউ বয়েজ হস্টেলের প্রায় ৫০ তৃতীয় বর্ষের ছাত্র শুক্রবার অরবিন্দ ভবনে বিক্ষোভ দেখান। তারা দাবি করেন, যতদিন পর্যন্ত মেন হস্টেলের (এ-১ ও এ-২ ব্লক) র‍্যাগিং-অভিযুক্ত পড়ুয়াদের অন্যত্র স্থানান্তর করা হবে না, ততদিন তারা হস্টেলে উঠবেন না। দু’বছর আগে ঘটে যাওয়া র‍্যাগিংকাণ্ডে এক ছাত্রের মৃত্যু ও সেই ব্যাচের আতঙ্ক এখনও কাটেনি। বিশ্ববিদ্যালয় ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত ১৭ জন ছাত্রকে সাসপেনশন ও হস্টেল থেকে বহিষ্কার করার সুপারিশ করেছে, কিন্তু আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে তারা এখনও হস্টেলেই অবস্থান করছে।

হস্টেল র‍্যাগিং ও ছাত্রদের আতঙ্ক

দুই বছর আগে মেন হস্টেলে এক ছাত্রের মৃত্যু ঘটার পর বিশ্ববিদ্যালয়ে র‍্যাগিং নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল। নিউ বয়েজ হস্টেলের বর্তমান তৃতীয় বর্ষের ছাত্ররা সেই ব্যাচেরই অংশ। তারা অভিযোগ করেছেন, মেন হস্টেলের সিনিয়ররা এখনও হুমকি দিচ্ছে এবং র‍্যাগিং কালচার চলছেই। ফলে নতুন ভর্তি হওয়া ছাত্ররা নিরাপদ বোধ করছেন না।

অভিযুক্তদের অবস্থান ও প্রশাসনের জটিলতা

বিশ্ববিদ্যালয় তদন্ত কমিটি ১৭ জন ছাত্রকে অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তাদের সাসপেনশন ও হস্টেল থেকে বহিষ্কার করার সুপারিশ করা হলেও, ছাত্ররা আদালতে স্থগিতাদেশ পেয়েছেন। এই কারণে অভিযুক্তরা আপাতত মেন হস্টেলেই থাকছেন। এ-১ ও এ-২ ব্লকের অন্য ছাত্ররা জানিয়েছেন, হস্টেল পরিবর্তন করলে তাদের পড়াশোনা ও প্লেসমেন্ট রুটিনে বড় ব্যাঘাত হবে।

প্রশাসনের পদক্ষেপ ও সম্ভাব্য সমাধান

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, হোস্টেল বিভাজন ও আলাদা পার্টিশন বসিয়ে তৃতীয় বর্ষ ও সিনিয়রদের পৃথক রাখা সম্ভব। এছাড়া আলাদা ডাইনিং স্পেস ও কমনরুমের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রয়োজনে অভিযুক্তদের অন্য হস্টেলে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। তবে আদালতের নির্দেশের কারণে সরাসরি সরানো এখনই সম্ভব নয়।

পড়ুয়াদের দাবি

ছাত্ররা জানিয়েছেন, তারা শুধুমাত্র নিরাপদ পরিবেশে হস্টেলে থাকতে চান। তারা চাইছেন, অভিযুক্তদের অন্যত্র সরানো হোক অথবা নতুন ভর্তি ছাত্রদের জন্য আলাদা হস্টেল দেওয়া হোক। যতদিন এটি না হয়, তারা হস্টেলে উঠবেন না।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউ বয়েজ হস্টেলের প্রায় ৫০ তৃতীয় বর্ষের ছাত্র শুক্রবার বিক্ষোভ দেখান। তাদের দাবি, যতদিন পর্যন্ত মেন হস্টেলের র‍্যাগিং-অভিযুক্ত পড়ুয়াদের সরানো না হয়, ততদিন তারা হস্টেলে উঠবেন না। দু’বছর আগে ঘটে যাওয়া র‍্যাগিংকাণ্ড ও এক ছাত্রের মৃত্যুর আতঙ্ক এখনও কাটেনি।

Leave a comment