ধর্মান্তরকরণ চক্রের মূল অভিযুক্ত জালালউদ্দিন ওরফে ছাঙ্গুরকে লখনউয়ের বিশেষ আদালতে পেশ করা হয়েছে। ইডি অর্থ পাচার এবং অবৈধ তহবিল সংক্রান্ত মামলায় ৭ দিনের রিমান্ড চেয়েছে। আদালত শুনানি শুরু করেছে।
Changur ED: ধর্মীয় ধর্মান্তরকরণের সঙ্গে জড়িত হাই-প্রোফাইল মামলায় অভিযুক্ত এবং চক্রের মূল হোতা জালালউদ্দিন ওরফে ছাঙ্গুরকে সোমবার কড়া নিরাপত্তার মধ্যে লখনউয়ের বিশেষ আদালতে পেশ করা হয়েছে। দুপুর প্রায় ২.৩০ নাগাদ ছাঙ্গুরকে আদালতে আনা হয়, যেখানে ইডি (প্রবর্তন অধিকর্তা)-র অনেক পদস্থ আধিকারিক আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন।
ইডি-র সাত দিনের কাস্টডি রিমান্ডের আবেদন
ইডি আদালতে ছাঙ্গুরের সাত দিনের কাস্টডি রিমান্ডের আবেদন করেছে। সংস্থার যুক্তি, জালালউদ্দিনের কাছ থেকে অবৈধ তহবিল নেটওয়ার্ক, অর্থ পাচার এবং আন্তর্জাতিক যোগসূত্র সম্পর্কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার জন্য বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন।
গ্রেপ্তারি এবং পূর্ববর্তী তদন্তের প্রেক্ষাপট

এর আগে ইউপি এসটিএফ ছাঙ্গুরকে গ্রেপ্তার করেছিল এবং সে কয়েকদিন এসটিএফের রিমান্ডে ছিল। এখন ইডি তাদের তদন্তকে আরও বাড়ানোর জন্য তাকে কঠোর জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রস্তুতি নিয়েছে। এর আগে, এসটিএফের তদন্তে জানা যায় যে ছাঙ্গুর একটি সংগঠিত চক্রের অংশ, যারা হিন্দু মেয়েদের টাকা, চাকরি এবং বিবাহের মতো প্রলোভন দেখিয়ে ধর্মান্তরিত করত।
অবৈধ তহবিল এবং বিদেশি লিঙ্কের সন্দেহ
প্রবর্তন অধিকর্তার সন্দেহ, ছাঙ্গুরের নেটওয়ার্ক কেবল রাজ্য বা দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তার তহবিলের যোগসূত্র বিদেশের সঙ্গেও থাকতে পারে। তদন্তকারী সংস্থার বিশ্বাস, ধর্মান্তরকরণের কার্যকলাপের জন্য একটি সুপরিকল্পিত তহবিল চ্যানেল সক্রিয় রয়েছে, যার মাধ্যমে বড় অঙ্কের অর্থ লেনদেন করা হয়েছে। ইডি-র কাছে ছাঙ্গুরের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের সঙ্গে জড়িত অনেক সূত্র রয়েছে, যেগুলি যোগ করার জন্য জিজ্ঞাসাবাদ জরুরি।
আদালতে শুনানি চলছে
আপাতত আদালতে ইডি-র রিমান্ড আবেদনের শুনানি চলছে। আদালত সিদ্ধান্ত নেবে যে ছাঙ্গুরকে প্রবর্তন অধিকর্তার হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঠানো হবে কিনা। রিমান্ডের রায় আসার পরেই তদন্তের দিক এবং গতি উভয়ই নির্ধারিত হবে।










