কার্তিক সংক্রান্তি টিপস: সোমবার পালিত হচ্ছে কার্তিক মাসের শেষ দিন অর্থাৎ কার্তিক সংক্রান্তি। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই দিনে ঘি বা তিলতের প্রদীপ ঠাকুরঘরে জ্বালানো, তুলসিমঞ্চে প্রদীপ প্রদক্ষিণ করা এবং প্রয়োজনে নতুন ময়ূরের পেখম রাখা অত্যন্ত কার্যকর। এই ঘরোয়া আচারগুলো মেনে চললে সংসারে আসে পূর্বপুরুষদের আশীর্বাদ, কুনজর ও অশুভ শক্তি দূর হয়, এবং অর্থবৃষ্টি ও সুখ-সমৃদ্ধি আসে।

ঘরোয়া প্রদীপ প্রজ্বলন
কার্তিক সংক্রান্তির সন্ধ্যায় ঘি বা তিলতের প্রদীপ ঠাকুরঘরে জ্বালানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।প্রদীপ প্রজ্বলনের সময় একবিন্দু কর্পূর দেওয়া উচিত। শ্রীকৃষ্ণের বিগ্রহ বা ছবির সামনে প্রদীপ রাখলে সংসারে কুনজর দূর হয় এবং পুণ্যসঞ্চয় বৃদ্ধি পায়।
তুলসিমঞ্চে পূজা
প্রদীপ জ্বালানোর পর তুলসিমঞ্চ প্রদক্ষিণ করে পূজা করা উচিত।এই রীতি মেনে চললে ঘরে শান্তি আসে এবং অশুভ শক্তি দূর হয়। বাড়ির ঈশান কোণে প্রদীপ রাখলে শুভতা বাড়ে এবং ঘরের সকল কার্যক্রমে মঙ্গল বজায় থাকে।

মূল প্রবেশদ্বারে প্রদীপ স্থাপন
বাড়ির মূল দরজার দু’পাশে ঘি প্রদীপ রাখুন, মুখটি পূর্ব দিকে করুন।এই আচার পালনে কুনজর ও অভাব দূর হয়। বিশেষ করে সংক্রান্তির দিন প্রদীপ স্থাপন করলে অর্থবৃষ্টি ও সুখ-সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পায়।

নতুন ময়ূরের পেখম ব্যবহার
শ্রীকৃষ্ণের বিগ্রহ বা ছবিতে নতুন ময়ূরের পেখম দিন।পুরনো পেখম সরিয়ে নতুন রাখলে সংসার থেকে কুনজর ও অশুভ শক্তি দূর হয়। সন্তানের পড়াশোনায় মন বসে, রাতে বালিশের নীচে পেখম রাখলে মনের ইচ্ছা পূর্ণ হয়।

কার্তিক সংক্রান্তিতে কিছু ঘরোয়া রীতি মেনে চললে সংসারে আসে সুখ ও সমৃদ্ধি। ঠাকুরঘরে প্রদীপ প্রজ্বলন, তুলসিমঞ্চে পূজা ও প্রয়োজনে নতুন ময়ূরের পেখম রাখলে কুনজর ও অশুভ শক্তি দূর হয়। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এ ধরনের আচার অভাব ও অনটন দূর করতে সহায়ক।













