কলকাতা শ্যুটআউট: সোমবার সকাল ৬টা ১৫ মিনিট নাগাদ হরিদেবপুর কালীপদ মুখার্জি রোডে ঘটে গেল গুলির ঘটনা। বছর ৩৮-এর মৌসুমী হালদার যখন পথে যাচ্ছিলেন, তখন দুই যুবক তাঁর পথ আটকায়। কথাকাটাকাটির পরই তাদের মধ্যে একজন বন্দুক বের করে গুলি চালায়। মহিলার পিঠে গুলি লাগে। তাঁকে তড়িঘড়ি এম.আর. বাঙ্গুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সাতসকালে গুলির শব্দে চমকে উঠল হরিদেবপুর
স্থানীয় সূত্রে খবর, ভোরবেলা রাস্তাঘাট তখনও ফাঁকা। হঠাৎ গুলির আওয়াজে চমকে ওঠেন আশপাশের বাসিন্দারা। কয়েক মুহূর্তের মধ্যে দেখা যায়, এক মহিলা মাটিতে লুটিয়ে পড়েছেন। দ্রুত খবর দেওয়া হয় পুলিশকে।পুলিশ এসে ঘটনাস্থল ঘিরে ফেলে। রাস্তায় পড়ে থাকা একটি খালি কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গেছে।
বাইকে চেপে আসে দুই যুবক, গুলি করেই চম্পট
চোখে পড়া প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, দুই যুবক বাইকে করে আসে এবং মহিলার সঙ্গে তর্কে জড়ায়। মুহূর্তের মধ্যেই একজন বন্দুক বের করে গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয়দের দাবি, ওই মহিলাকে আগে থেকেই লক্ষ্য করে পরিকল্পনা করা হয়েছিল এই হামলা।পুলিশ আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে হামলাকারীদের চিহ্নিত করতে।

পুরনো শত্রুতার জেরে হামলা বলে আশঙ্কা
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, এই গুলি চালানোর পেছনে থাকতে পারে পুরনো শত্রুতা। মৌসুমী হালদারের ব্যক্তিগত বা পারিবারিক কোনও বিবাদ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারীরা তাঁর পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন। স্থানীয় থানার আধিকারিকদের মতে, ব্যক্তিগত বিরোধ বা পূর্বপরিচয়ের সূত্রে হামলা হয়ে থাকতে পারে।
চিকিৎসাধীন মৌসুমী, অবস্থার আপাতত স্থিতিশীল
গুলিবিদ্ধ মৌসুমী হালদারকে দ্রুত এম.আর. বাঙ্গুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, গুলি তাঁর পিঠে লেগেছে তবে আপাতত প্রাণসংশয় নেই।চিকিৎসকরা অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। পুলিশ হাসপাতাল চত্বরেও মোতায়েন রয়েছে।

সোমবার সকালেই চাঞ্চল্য হরিদেবপুরে। কালীপদ মুখার্জি রোডে দুই যুবক বাইকে এসে এক মহিলাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ মৌসুমী হালদার (৩৮) এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, পুরনো শত্রুতার জেরেই এই হামলা।









