রাজ্য বাজেটের পর একাধিক সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পে অর্থ বৃদ্ধি ও নতুন প্রকল্প চালুর ঘোষণায় জোরদার তৎপরতা প্রশাসনের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের উদ্যোগে চালু হওয়া লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ও নতুন যুবসাথী প্রকল্পে আবেদন করতে বিভিন্ন বিধানসভা এলাকায় শুরু হয়েছে বিশেষ ক্যাম্প। তবে কী কী নথি লাগবে, কারা যোগ্য—তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে রয়েছে বিস্তর প্রশ্ন।
যাদবপুরে শুরু যুবসাথী ক্যাম্প
সোমবার সকাল ১০টা থেকে যাদবপুর বিধানসভা এলাকায় শুরু হয়েছে যুবসাথী ক্যাম্প। নির্দিষ্ট ওয়ার্ডের বাসিন্দারাই এখানে আবেদন জমা দিতে পারবেন। সকাল থেকেই যুবক-যুবতী ও মহিলাদের দীর্ঘ লাইন চোখে পড়েছে।
যুবসাথী প্রকল্পে কী কী নথি লাগবে?
যুবসাথী প্রকল্পে আবেদন করতে প্রয়োজন—
ভোটার কার্ড
আধার কার্ড
ব্যাঙ্ক পাসবুক
মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড
মাধ্যমিকের মার্কশিট
পাসপোর্ট সাইজ ছবি
আবেদন জমা দিলে দেওয়া হচ্ছে রশিদ। মাধ্যমিক পাশ বেকার যুবকদের জন্য এই প্রকল্পে মাসিক ১৫০০ টাকা অনুদান ঘোষণা হয়েছে।
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার: কারা পাবেন সুবিধা?
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে সাধারণ শ্রেণির মহিলারা মাসে ১৫০০ টাকা এবং তফসিলি জাতি/জনজাতির মহিলারা ১৭০০ টাকা পাবেন। আবেদনকারীর—
পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা হওয়া আবশ্যক
বয়স ২৫ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে হতে হবে
সরকারি স্থায়ী চাকরি বা সরকারি পেনশনভোগী হলে আবেদন করা যাবে না
লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে প্রয়োজনীয় নথি
আবেদনের জন্য লাগবে—
আধার কার্ড
স্বাস্থ্যসাথী কার্ড (ঐচ্ছিক)
জাতি শংসাপত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিবরণ (IFSC সহ)
পাসবুকের প্রথম পাতার জেরক্স
রঙিন পাসপোর্ট সাইজ ছবি
প্রয়োজনে অতিরিক্ত নথিও চাওয়া হতে পারে।
টালিগঞ্জেও ক্যাম্পে ভিড়
টালিগঞ্জ বিধানসভা এলাকায় ঋষি অরবিন্দ পার্কে চলছে যুবসাথী ও লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের যৌথ ক্যাম্প। এখানেও আবেদনপত্র সংগ্রহ ও ফর্ম ফিলাপের সুযোগ রয়েছে।
অনলাইনেও আবেদন সম্ভব
অফলাইনের পাশাপাশি অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমেও আবেদন করা যাচ্ছে। বিশেষত লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ক্ষেত্রে অনলাইন আবেদনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে প্রশাসন।
রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ও যুবসাথী প্রকল্পের আবেদন শিবির। কোথায় ক্যাম্প হচ্ছে, কী কী নথি লাগবে, কারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন—সব তথ্য এক নজরে।











