Lionel Messi–র ভারত সফরের অন্যতম আকর্ষণ ছিল কলকাতার যুবভারতী স্টেডিয়ামে আয়োজিত বিশেষ ইভেন্ট। কিন্তু সেই স্বপ্নের সন্ধ্যা বহু দর্শকের কাছে পরিণত হয় চরম হতাশায়। হাজার হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কেটেও মেসির দেখা না পাওয়ার অভিযোগে উত্তাল হয় যুবভারতী। এবার সেই ঘটনায় SIT তদন্তে উঠে এল, মোট ১৬ কোটির বেশি টাকার টিকিট বিক্রি হয়েছিল।
SIT তদন্তে বড় তথ্য
বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) সূত্রে জানা গিয়েছে, মেসি ইভেন্টে মোট ৩৩ থেকে ৩৪ হাজার টিকিট বিক্রি হয়। টিকিট বিক্রি থেকে আয় হয়েছে ১৬ কোটিরও বেশি টাকা। এই বিপুল অঙ্কের টাকা কীভাবে ফেরত দেওয়া যায়, তা নিয়ে আইনি পরামর্শ নিচ্ছেন তদন্তকারীরা।
আয়োজকের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ
মেসির গোটা ভারত সফরের আয়োজক শতদ্রু দত্ত আগেই গ্রেফতার হয়েছেন। তদন্তের স্বার্থে তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ২২ কোটি টাকা ফ্রিজ করা হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, এই টাকাই দর্শকদের ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়ায় ব্যবহার করা হতে পারে।
টাকা ফেরতের আশ্বাস, কিন্তু আইনি জটিলতা
যুবভারতীর বিশৃঙ্খলার পর শতদ্রু দত্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। যদিও পরে সেই পোস্ট মুছে দেওয়া হয়। বর্তমানে সরকার ও পুলিশ যৌথভাবে আইনি পথে টাকা ফেরত দেওয়ার রূপরেখা তৈরি করছে।
কারা ঢুকেছিল মাঠে? খতিয়ে দেখছে SIT
সূত্রের খবর, ইভেন্টের সময় মাঠের ভেতরে ঢোকার অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের একটি তালিকা আয়োজক সংস্থার তরফে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এখন সেই তালিকার সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হচ্ছে, অনুমতি ছাড়াই আর কারা মাঠে ঢুকে পড়েছিল।
প্রশাসনিক স্তরেও শোকজ
মেসি কাণ্ডে রাজ্য পুলিশের ডিজি, বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার এবং ক্রীড়া দফতরের সচিবকেও শোকজ করা হয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত একাধিক আধিকারিককে সাময়িকভাবে সাসপেন্ড করা হয়েছে।
কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে লিওনেল মেসির ইভেন্টে বিশৃঙ্খলা নিয়ে SIT তদন্তে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। প্রায় ৩৩–৩৪ হাজার টিকিট বিক্রি করে আয় হয়েছে ১৬ কোটির বেশি টাকা। টাকা ফেরতের আইনি পথ খুঁজছে পুলিশ ও প্রশাসন।












