রান্নাঘরের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস এলপিজি এখন অনেকের কাছেই হয়ে উঠেছে চিন্তার কারণ। বুকিংয়ের পরও সময়মতো সিলিন্ডার না পাওয়া, আর দ্বিতীয় সিলিন্ডার বুকিংয়ে বাড়তি অপেক্ষা—এই দ্বৈত সমস্যায় নাজেহাল গ্রাহকরা। সরকারের নির্ধারিত নিয়ম থাকা সত্ত্বেও বাস্তবে বাড়ছে দেরি ও দুর্ভোগ।
বুকিং নিয়মে গলদ, বাড়ছে অপেক্ষার সময়
সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী শহরে ২৫ দিন ও গ্রামে ৪৫ দিনের ব্যবধানে সিলিন্ডার বুকিংয়ের নিয়ম থাকলেও বাস্তবে তা মানা হচ্ছে না। অনেক সংস্থা বুকিংয়ের তারিখ নয়, ডেলিভারির তারিখ থেকে পরবর্তী বুকিং গণনা করছে। ফলে ১০ দিন দেরিতে ডেলিভারি হলে পরবর্তী বুকিংও ১০ দিন পিছিয়ে যাচ্ছে।
ডেলিভারিতে দেরি, বাড়ছে গ্রাহকদের ক্ষোভ
বুকিংয়ের পর ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে সিলিন্ডার পৌঁছানোর কথা থাকলেও বহু জায়গায় তার থেকেও বেশি সময় লাগছে। ফলে শহরে ২৫ দিনের বদলে প্রায় ৩৫ দিন এবং গ্রামে ৪৫ দিনের বদলে ৫৫ দিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে গ্রাহকদের।
একাধিক রাজ্যে সংকটের চিত্র
Uttar Pradesh-এর রায়বরেলি, কানপুর, প্রয়াগরাজে গ্যাসের অভাব দেখা দিয়েছে।
Bihar-এ লক্ষাধিক বুকিং এখনও বকেয়া।
Madhya Pradesh-এর ভোপালে লাইনে দাঁড়িয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন অনেকে।
Rajasthan-এ বিয়ের মরশুমে কমার্শিয়াল সিলিন্ডার পেতে বাড়তি নিয়ম চালু হয়েছে।
বিয়ের মরশুমে চাহিদা বাড়ায় বিপত্তি
বর্তমানে বিয়ের মরশুম চলায় কমার্শিয়াল সিলিন্ডারের চাহিদা বেড়েছে। কিন্তু সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়ে যাচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সংখ্যক সিলিন্ডার মিলছে না। অনেক ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট আবেদন ছাড়া সিলিন্ডার পাওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে।
বিকল্প পথে সাময়িক স্বস্তি
কিছু এলাকায় প্রশাসন রান্নার সমস্যার সমাধানে কয়লা বা কাঠ ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছে। যদিও এটি দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর সমাধান নয়, তবুও আপৎকালীন পরিস্থিতিতে সামান্য স্বস্তি দিচ্ছে গ্রাহকদের।
এলপিজি সিলিন্ডার বুকিং ও ডেলিভারি নিয়ে নতুন সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ। নির্ধারিত সময়ের বদলে ৭–১০ দিন দেরিতে ডেলিভারি হওয়ায় পরবর্তী বুকিংও পিছিয়ে যাচ্ছে। উত্তরপ্রদেশ, বিহার, মধ্যপ্রদেশ-সহ একাধিক রাজ্যে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক।








