কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে অনুষ্ঠিত কলকাতা নাইট রাইডার্স বনাম লখনউ সুপার জায়ান্টস ম্যাচে শেষ বলে ৩ উইকেটে জয় পেয়েছে লখনউ সুপার জায়ান্টস। এই জয়ে লখনউ টানা দ্বিতীয় জয় নথিভুক্ত করেছে, আর কলকাতা এখনও এই মৌসুমে জয়ের খাতা খুলতে পারেনি।
টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে কলকাতা নাইট রাইডার্স। অধিনায়ক অজিঙ্ক্য রাহানে (৪১) এবং উইকেটকিপার অঙ্গকৃষ রঘুবংশী (৪৫) দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি গড়ে দেন। দ্বিতীয় উইকেটে তাঁদের মধ্যে ৮৫ রানের জুটি হয়, যা দলকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যায়। রাহানে সংযত ইনিংস খেলেন, আর রঘুবংশী আক্রমণাত্মকভাবে রান তোলেন।
![]()
তবে তাঁদের আউট হওয়ার পর মিডল অর্ডার ভেঙে পড়ে। সুনীল নারিনের প্রত্যাবর্তন সত্ত্বেও দল নিয়মিত উইকেট হারায়। রিঙ্কু সিং বড় ইনিংস খেলতে পারেননি এবং দ্রুত আউট হন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৮১ রান করে কলকাতা। একসময় দল ২০০ পেরোবে বলে মনে হলেও শেষের দিকে রান তোলার গতি কমে যায়।
লখনউর বোলাররা ডেথ ওভারে নিয়ন্ত্রিত বোলিং করে। মোহাম্মদ শামি ৪ ওভারে ২৭ রান দিলেও কোনো উইকেট নেননি, কিন্তু চাপ বজায় রাখেন। এছাড়া এম. সিদ্ধার্থ এবং দিগ্বেশ সিং রাঠি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নেন।
১৮২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে লখনউ সুপার জায়ান্টসের শুরু দ্রুত হয়। মিচেল মার্শ এবং এডেন মার্করাম প্রথম উইকেটে ৪১ রান যোগ করেন। তবে পঞ্চম ওভারে দুজনের আউট হওয়ায় ম্যাচের পরিস্থিতি বদলে যায়। মার্করাম ২২ এবং মার্শ ১৫ রান করে আউট হন।
![]()
অধিনায়ক ঋষভ পন্ত মাত্র ১০ রান করে আউট হন। এরপর নিকোলাস পুরান ১৩ রান করে আউট হন। ধারাবাহিক উইকেট পতনে লখনউ চাপে পড়ে।
এই পরিস্থিতিতে আয়ুষ বদোনি ৩৪ বলে ৫৪ রান করে ইনিংস সামলান এবং দলকে প্রতিযোগিতায় রাখেন। তাঁর আউট হওয়ার পর ম্যাচ কেকেআরের দিকে যেতে পারে বলে মনে হচ্ছিল।
এরপর ৭ নম্বরে নেমে মুকুল চৌধুরি ২৭ বলে অপরাজিত ৫৪ রান করে ম্যাচের গতিপথ বদলে দেন। তাঁর ইনিংসে ২টি চার এবং ৭টি ছক্কা ছিল। শেষ ওভার পর্যন্ত লড়াই চলা ম্যাচে লখনউ শেষ বলে জয় নিশ্চিত করে।
এই ইনিংসের জন্য মুকুল চৌধুরিকে ‘প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচ’ নির্বাচিত করা হয়।










