দেশের বাণিজ্য রাজধানী মুম্বইয়ে বৃহস্পতিবার বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (BMC) নির্বাচনে ভোটগ্রহণ ঘিরে চূড়ান্ত রাজনৈতিক লড়াই। ২২৭টি ওয়ার্ডে শহরবাসী নির্ধারণ করছেন পরবর্তী পুরবোর্ডের রূপরেখা। ১৬ জানুয়ারি সকাল ১০টা থেকে শুরু হবে গণনা।
৯ বছর পর ভোট, কড়া নিরাপত্তা
গ্রেটার মুম্বই জুড়ে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। ২২৭টি ওয়ার্ডে প্রায় ১,৭২৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। শহরজুড়ে মোতায়েন ২৫ হাজার পুলিশকর্মী ও আধিকারিক—নির্বাচন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করাই লক্ষ্য।
২০ বছর পরে হাত মিলল ঠাকরে পরিবার
সবচেয়ে বড় চমক—দীর্ঘ দুই দশকের দূরত্ব ঘুচিয়ে উদ্ধব ঠাকরে ও রাজ ঠাকরে একসঙ্গে ভোটযুদ্ধে। ‘মরাঠা’ আবেগকে সামনে রেখে তাঁদের যৌথ প্রচেষ্টা কি মুম্বইয়ে ফের ‘ঠাকরে জমানা’ ফেরাবে? উত্তর দেবে ফলাফল।
একনাথ শিণ্ডে- বিজেপি জোটের শক্তি প্রদর্শন
শিবসেনা (একনাথ শিণ্ডে) ৯০টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। জোটসঙ্গী বিজেপি ২২৭টির মধ্যে ১৩৭টি ওয়ার্ডে লড়ছে। ২০১৯ সালে বিজেপির ঝুলিতে ছিল ৮২টি আসন—এবার জোট কতটা এগোতে পারে, তা নিয়েই কৌতূহল।
একলা পথে অজিত পাওয়ারের এনসিপি
অজিত পাওয়ারের এনসিপি এবার একাই মাঠে। দুর্নীতিতে অভিযুক্ত নবাব মালিককে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থেকে সরানোর দাবি বিজেপি তুললেও এনসিপি তা মানেনি। তবু পুণে ঘিরে আশাবাদী দলটি—২০০৭ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত এক দশক পুরবোর্ড তাদের হাতেই ছিল।
ভোটের গুরুত্বে জোর আরএসএস প্রধানের
নাগপুরে ভোট দিয়ে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত ভোটদানের গুরুত্ব তুলে ধরেন। গণতন্ত্রে ভোটকে ‘প্রধান কর্তব্য’ বলে উল্লেখ করে তিনি জনকল্যাণের স্বার্থে ভারসাম্যপূর্ণ সিদ্ধান্তের আহ্বান জানান।
দীর্ঘ ৯ বছর পরে মুম্বই পুরভোটে ফিরেছে রাজনৈতিক উত্তাপ। একদিকে ২০ বছর পর উদ্ধব-রাজ ঠাকরের জোট, অন্যদিকে একনাথ শিণ্ডের শিবসেনার সঙ্গে বিজেপির শক্ত সমীকরণ। আলাদা লড়াইয়ে নেমেছে অজিত পাওয়ারের এনসিপি। ফলাফলের দিকে তাকিয়ে গোটা মহারাষ্ট্র।










