টিকিট ছাড়া বা অনিয়মিতভাবে ট্রেনে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিল পূর্ব রেল। মালদহ ডিভিশনের বিভিন্ন ট্রেন ও স্টেশনে চালানো বিশেষ টিকিট চেকিং অভিযানে একদিনেই ২৮৯ জন যাত্রী ধরা পড়েছেন। তাঁদের কাছ থেকে জরিমানা বাবদ আদায় হয়েছে ২ লক্ষ ৭১ হাজার ১৮৫ টাকা। যাত্রীদের বৈধ টিকিট কেটে ভ্রমণের আহ্বান জানিয়েছে রেল প্রশাসন।
কোথায় চালানো হয় অভিযান?
রেলের রাজস্ব সুরক্ষা এবং টিকিটবিহীন যাত্রা রুখতে মালদহ ডিভিশনের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ট্রেন ও স্টেশনে এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে অংশ নেন টিকিট পরীক্ষক (TTE), বাণিজ্য বিভাগের আধিকারিক এবং রেল সুরক্ষা বাহিনীর (RPF) কর্মীরা।
যে ট্রেনগুলিতে তল্লাশি চালানো হয়
বিশেষ অভিযানের আওতায় একাধিক দূরপাল্লা ও প্যাসেঞ্জার ট্রেনে টিকিট পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য—
১৫৬৩০ নাগাঁও এক্সপ্রেস
১৬৫২৪ বালুরঘাট–এসএমভিটি বেঙ্গালুরু এক্সপ্রেস
১৩৪২৫ মালদা টাউন–সুরাট এক্সপ্রেস
১৫৭৪৪ ফারাক্কা এক্সপ্রেস
৫৩০৩০ ভাগলপুর–আজিমগঞ্জ প্যাসেঞ্জার
৫৩৪১৬ সাহেবগঞ্জ–বারহারওয়া প্যাসেঞ্জার
এছাড়াও মালদহ টাউন–রামপুরহাট এবং সাহেবগঞ্জ–বারহারওয়া শাখার বিভিন্ন স্টেশনেও টিকিট পরীক্ষা করা হয়।
কতজন ধরা পড়লেন, কত টাকা জরিমানা?
রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযানে মোট ২৮৯ জন টিকিটবিহীন ও অনিয়মিত যাত্রী ধরা পড়েছেন।
তাঁদের কাছ থেকে মোট ২,৭১,১৮৫ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
রেল কর্তৃপক্ষ কী জানাল?
পূর্ব রেলের মালদহ ডিভিশনের সিনিয়র ডিভিশনাল কমার্শিয়াল ম্যানেজারের তত্ত্বাবধানে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে।ডিভিশনের ডিআরএম মনিশ কুমার গুপ্তা জানিয়েছেন, ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে এ ধরনের বিশেষ টিকিট চেকিং অভিযান চালানো হবে। তাঁর বক্তব্য, টিকিট ছাড়া ভ্রমণ রেল আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ। একই সঙ্গে প্রকৃত যাত্রীদের নিরাপদ ও ঝামেলামুক্ত পরিষেবা নিশ্চিত করাও এই অভিযানের অন্যতম উদ্দেশ্য।
যাত্রীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা
রেল কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের উদ্দেশে আবেদন করেছে—
সবসময় বৈধ টিকিট কেটে ভ্রমণ করুন।
টিকিট ছাড়া বা ভুল টিকিট নিয়ে যাত্রা করলে জরিমানা ও আইনি পদক্ষেপের মুখে পড়তে হতে পারে।
অনলাইন বা কাউন্টার—যে কোনও বৈধ মাধ্যমে টিকিট সংগ্রহ করুন।
পূর্ব রেলের মালদহ ডিভিশনে বিশেষ টিকিট চেকিং অভিযানে একদিনে ২৮৯ জন টিকিটবিহীন ও অনিয়মিত যাত্রী ধরা পড়েছেন। বিভিন্ন ট্রেন ও স্টেশনে চালানো এই অভিযানে মোট ২,৭১,১৮৫ টাকা জরিমানা আদায় হয়েছে। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে।











