সংহতি দিবসে সামাজিক ঐক্যের বার্তা তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফের জানালেন—বাংলা বিভেদে বিশ্বাস করে না, সমন্বয়েই বাঁচে। একই সঙ্গে সাম্প্রদায়িকতার রাজনীতিতে যারা আগুন জ্বালানোর চেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধে লড়াই যে জারি থাকবে, সেই সতর্কবার্তাও দিলেন তিনি।

‘বাংলার মাটি একতার মাটি’—ঐতিহ্যের স্মরণে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য
শনিবার সংহতি দিবসে শুভেচ্ছা জানিয়ে মমতা বলেন—
“একতাই শক্তি। বাংলার মাটি একতার মাটি। রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, রামকৃষ্ণ–বিবেকানন্দের মানবতার পথ বাংলাকে বারবার একতার বার্তা দিয়েছে।”
তিনি জানান, বহু ধর্ম–বহু সংস্কৃতির মিলনেই বাংলা। এখানে হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান, জৈন, বৌদ্ধ—সকলেই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলতে জানেন।
‘ধর্ম যার যার, উৎসব সবার’—সম্প্রীতির বার্তায় ঐক্যের রাজনীতি
মমতার মতে, বাংলার সামাজিক ঐতিহ্যই সবচেয়ে বড় শক্তি।
মানুষ একে অপরের আনন্দ ভাগ করে নেয় বলেই এই রাজ্য বহুত্ববাদের প্রতীক।
তিনি বলেন—“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”, এই মন্ত্রেই চলে বাংলা।
সাম্প্রদায়িক বিভাজনের রাজনীতিকে জায়গা দিতে নারাজ সরকার–সহ প্রশাসন।

সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা: ‘লড়াই জারি থাকবে’
পরের অংশেই ভিন্ন সুর।
মমতা সতর্ক করেন—
“যারা সাম্প্রদায়িকতার আগুন জ্বালিয়ে দেশকে ধ্বংস করার খেলায় মেতেছে, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই জারি থাকবে।”
তিনি সকলকে শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানান এবং বলেন, সম্প্রীতি রক্ষা করাই রাজ্যের প্রথম কর্তব্য।
রাজনৈতিক মহলে আলোচনা—বার্তায় কি ২০২৬ নির্বাচনের ইঙ্গিত?
সংহতি দিবস উপলক্ষে এই মন্তব্যে রাজনৈতিক মহল মনে করছে—
মমতার বক্তব্যে আসন্ন রাজনৈতিক লড়াইয়ের স্পষ্ট ইঙ্গিত রয়েছে।
ধর্মীয় মেরুকরণের বিরুদ্ধে তৃণমূলের অবস্থান আরও কঠোর হচ্ছে বলেই মত বিশ্লেষকদের।

৬ ডিসেম্বর সংহতি দিবসে রাজ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে বিশেষ বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার ঐতিহ্য, বহুত্ব এবং মিলনের সংস্কৃতির কথা উল্লেখ করে তিনি জানালেন—বিভেদের রাজনীতির বিরুদ্ধে লড়াই চলবে, সকলে মিলেমিশে চলাই বাংলার পরিচয়।











