কখনও হাতে কাঁচি-চিরুনি, আবার কখনও লাল ঝান্ডা—এই দুই জগতকে একসঙ্গে বেঁধে রাজনৈতিক ময়দানে নেমেছেন মামনি মণ্ডল রায়। Bardhaman-এর এই সাধারণ নারী এবার প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে, প্রান্তিক মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে উঠতে।
বাম রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের লড়াই
মামনি মণ্ডল রায় বহুদিন ধরেই Democratic Youth Federation of India (ডিওয়াইএফআই)-এর সক্রিয় কর্মী। ২০১২ সাল থেকে সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে ধাপে ধাপে উঠে এসেছেন। পঞ্চায়েত নির্বাচনে একাধিকবার লড়াই করলেও জয় না পেলেও তাঁর লড়াই থামেনি।
পার্লারের কাজ সামলেই রাজনৈতিক সংগ্রাম
প্রতিদিনের জীবনযুদ্ধে তিনি এক সাধারণ নারী। গত ১৭ বছর ধরে একটি বিউটি পার্লারে কাজ করেন। সংসারে স্বামী, সন্তান ও বৃদ্ধ শ্বশুর-শাশুড়ির দায়িত্ব সামলেও তিনি রাজনৈতিক লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রার্থী হওয়ার পরও থেমে থাকেননি তাঁর দৈনন্দিন সংগ্রাম।
প্রান্তিক মানুষের কণ্ঠস্বর হতে চান
মামনির কথায়, “প্রান্তিক মানুষের দাবিদাওয়া আদায়ের লড়াইটাই আমার লক্ষ্য।” বেকারত্ব, কৃষকের সমস্যা ও শিক্ষার অবনতি—এই বিষয়গুলোই তাঁর প্রচারের মূল ইস্যু। সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে বামপন্থীদের বিকল্প হিসেবে তুলে ধরছেন নিজেকে।
রাজনৈতিক লড়াইয়ে নতুন মুখ, বড় চ্যালেঞ্জ
বাম নেতৃত্বের দাবি, সমাজের প্রান্তিক স্তরের প্রতিনিধি হিসেবেই মামনি এই লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুখ। তাঁর মতো মানুষই বাস্তব সমস্যাগুলো কাছ থেকে বোঝেন এবং সেই অভিজ্ঞতা নিয়েই ভোটের ময়দানে নামছেন।
Bardhaman Uttar-এ এবারের বিধানসভা নির্বাচনে নজর কেড়েছেন বাম প্রার্থী মামনি মণ্ডল রায়। পেশায় বিউটি পার্লার কর্মী হলেও দীর্ঘদিন ধরে বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত তিনি। সংসার, কাজ ও রাজনীতি—তিনের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে তাঁর সংগ্রামী পথচলা।









