মন্দারমণিতে সমুদ্র থেকে উদ্ধার নিখোঁজ পর্যটকের দেহ, শোকস্তব্ধ পরিবার

মন্দারমণিতে সমুদ্র থেকে উদ্ধার নিখোঁজ পর্যটকের দেহ, শোকস্তব্ধ পরিবার

Mandarmani Incident: ৩৬ ঘণ্টা নিখোঁজ থাকার পর সোমবার সকালে মন্দারমণির সমুদ্র থেকে উদ্ধার করা হয় পর্যটক সুরত বসুর দেহ। পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের রবীন্দ্রপল্লির বাসিন্দা এই যুবক, কলকাতার বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত একজন ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। একমাত্র ছেলে হারিয়ে পরিবার ভেঙে পড়েছে। কোস্টাল থানার পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য দেহ পাঠিয়েছে। দুর্ঘটনা নাকি অন্য কোনও কারণ, তা তদন্তকারী দল খতিয়ে দেখছে।

ঘটনা ও প্রাথমিক তথ্য

শনিবার বিকেলে বন্ধু ও বান্ধবীর সঙ্গে মন্দারমণিতে বেড়াতে যান সুরত বসু। বন্ধুদের দাবি, সমুদ্রের ফাঁকা জায়গায় গল্পগুজব চলাকালীন সুরত একাই স্নানে নেমে যান। কিছু সময়ের মধ্যে তিনি ঢেউয়ে সামলে রাখতে না পেরে সমুদ্রে তলিয়ে যান। বন্ধুরা আশপাশের লোকদের খবর দেন।

উদ্ধার অভিযান

নুলিয়ারাও জলে নেমে উদ্ধার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু রাতের অন্ধকারে কোনও খোঁজ মেলেনি। রবিবার থেকে মন্দারমণি সমুদ্রের বিভিন্ন অংশে তল্লাশি শুরু হয়। সোমবার সকালে দেহ সমুদ্রে ভেসে ওঠে। কোস্টাল থানার ওসি অর্কদীপ হালদার জানান, দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

নিহতের পরিচয় ও পরিবারিক শোক

নিহত সুরত বসু পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের রবীন্দ্রপল্লির বাসিন্দা। বাবা পুলিশ, মা স্বাস্থ্যদপ্তরের কর্মী। একমাত্র ছেলে হারানোর কারণে পরিবার ভেঙে পড়েছে। মা-বাবা সহ পরিবারের সদস্যরা চোখের জল ধরে রাখতে পারছেন না।

নিরাপত্তা বিষয়ক প্রশ্ন

মন্দারমণি-দিঘা উপকূলের পর্যটক নিরাপত্তা নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। একের পর এক দুর্ঘটনা স্থানীয় প্রশাসন ও পর্যটক ব্যবস্থাপনার খতিয়ে দেখার আহ্বান তুলেছে।

সুরত বসুর অকালপ্রয়াণ মন্দারমণি সৈকতের নিরাপত্তা এবং পর্যটক ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেছে। ময়নাতদন্তের পর দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে। পাঠকদের জন্য পরামর্শ—সমুদ্রসৈকতে স্নান করার সময় সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। বিস্তারিত আপডেট এবং নতুন খবরের জন্য আমাদের নিউজ পোর্টাল নিয়মিত দেখুন।

Leave a comment