বাংলার Assembly Election 2026 যত এগিয়ে আসছে, ততই জমে উঠছে রাজনৈতিক সমীকরণের লড়াই। মুর্শিদাবাদে তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগদানের ঘটনায় তৈরি হয়েছে নতুন সমীকরণ, যা নির্বাচনের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
দলবদলে কংগ্রেসের শক্তি বৃদ্ধি
একসময়ের শক্ত ঘাঁটি পুনরুদ্ধারে মরিয়া কংগ্রেস। সেই লক্ষ্যেই বড় সাফল্য পেল তারা। তৃণমূলের জেলা পরিষদ সদস্য মোস্তফা কামাল, পঞ্চায়েত প্রধান দিলশাদ হোসেন-সহ বহু নেতা-কর্মী কংগ্রেসে যোগ দেন। এই যোগদান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অন্দরে জল্পনা তুঙ্গে।
রানিনগর থেকে ক্ষোভের বিস্ফোরণ
দলবদলকারী নেতারা সরাসরি রানিনগরের তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে দলীয় স্তরে উপেক্ষা ও অসন্তোষ বাড়ছিল। সেই কারণেই নির্বাচনের আগে বড় সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন তারা।
অধীরের হুঙ্কার, তৃণমূলকে ‘খেদানোর’ ডাক
এই যোগদান কর্মসূচির পরই কড়া বার্তা দেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তার দাবি, “মুর্শিদাবাদ থেকে তৃণমূলকে খেদিয়ে বিদায় করা হবে।” বহরমপুরে জেলা কংগ্রেস ভবনে দাঁড়িয়ে তিনি কর্মীদের উদ্দেশে জয়ের ডাক দেন।
ভোটের আগে কৌশল বদলাচ্ছে কংগ্রেস
মুর্শিদাবাদ জেলায় নিজেদের পুরনো জমি ফিরে পেতে এবার মরিয়া কংগ্রেস। জেলার অধিকাংশ আসনেই প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দল। নেতৃত্বের দাবি, পুরনো কর্মীরা ফিরে আসায় সংগঠন আরও মজবুত হচ্ছে, যা ভোটে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত
তৃণমূলের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত মুর্শিদাবাদে এই দলবদল নিঃসন্দেহে বড় বার্তা দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভোটের আগে এই ধরনের পরিবর্তন ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সমীকরণে বড় ভূমিকা নিতে পারে।
ভোটের আগে উত্তপ্ত বাংলার রাজনীতিতে বড় ধাক্কা তৃণমূল কংগ্রেস-এর শিবিরে। মুর্শিদাবাদ জেলায় জেলা পরিষদ সদস্য, পঞ্চায়েত প্রধান-সহ শতাধিক কর্মী যোগ দিলেন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস-এ। এই দলবদল ঘিরে জোর চর্চা রাজনৈতিক মহলে।










