বর্তমান সময়ে চাকরির পরীক্ষা হোক বা অন্য কোনও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা—সাধারণ জ্ঞানের ভূমিকা ক্রমশই বাড়ছে। পাঠ্যবইয়ের বাইরে থাকা ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থেকেই অনেক সময় আসে নম্বর কাটা বা পাওয়ার পার্থক্য। নাক ও ঠোঁটের মাঝের অংশের নাম নিয়ে এমনই এক প্রশ্নে বিভ্রান্ত হন বহু পরীক্ষার্থী।

সাধারণ জ্ঞানে কেন বাড়ছে এমন প্রশ্ন
আজকাল পরীক্ষায় শুধুমাত্র মুখস্থবিদ্যার উপর নির্ভর না করে প্রার্থীর পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা ও বাস্তব জ্ঞান যাচাই করা হচ্ছে। সেই কারণেই শরীরের অংশ, দৈনন্দিন জীবনের বৈজ্ঞানিক তথ্য বা পরিচিত জিনিসের অচেনা নাম ঘিরে প্রশ্ন রাখছেন পরীক্ষকরা।
শরীরের পরিচিত অঙ্গ, অজানা নাম
মানুষের শরীরের চোখ, কান, নাক, ঠোঁটের নাম সবাই জানলেও মাঝখানের অনেক অংশের আলাদা নাম রয়েছে, যা সাধারণভাবে প্রচলিত নয়। অথচ এই অংশগুলির নামই জীববিজ্ঞান ও সাধারণ জ্ঞানের পরীক্ষায় উঠে আসে বারবার।
প্রশ্নটি কী নিয়ে
প্রশ্নটি হল—
নাক এবং উপরের ঠোঁটের মাঝখানে যে খাঁজযুক্ত অংশটি রয়েছে, তাকে কী বলা হয়?
এই প্রশ্ন শুনে অনেকেই মুহূর্তের মধ্যে উত্তর দিতে পারেন না।
সঠিক উত্তর কী
নাক ও ঠোঁটের মাঝের ওই অংশটির নাম হল ফিলট্রাম (Philtrum)। মানব শরীরবিদ্যায় এই অংশের একটি নির্দিষ্ট পরিচয় রয়েছে এবং এটি মুখমণ্ডলের গঠনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত।
চিকিৎসাবিজ্ঞানে ফিলট্রামের গুরুত্ব
চিকিৎসাবিদ্যার দৃষ্টিকোণ থেকে ফিলট্রাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভ্রূণ অবস্থায় মুখের সঠিক গঠন হচ্ছে কি না, তা অনেকাংশে এই অংশের উপর নির্ভর করে। কিছু জন্মগত সমস্যার ক্ষেত্রেও ফিলট্রামের গঠন চিকিৎসকদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দেয়।
পরীক্ষার্থীদের জন্য সতর্কবার্তা
অনেক সময় দেখা যায়, উত্তর জানা থাকলেও পরীক্ষার চাপে তা মনে পড়ে না। তাই সাধারণ জ্ঞানের ছোট ছোট তথ্য নিয়মিত রিভিশন দেওয়া জরুরি। কারণ এই ধরনের প্রশ্নই অনেক সময় মেধাতালিকায় এগিয়ে বা পিছিয়ে দেয়।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এমন সাধারণ জ্ঞানের প্রশ্ন আসে, যা শুনতে খুব সহজ হলেও উত্তর জানা থাকে না অনেকেরই। তেমনই এক প্রশ্ন—নাক ও উপরের ঠোঁটের মাঝের অংশের নাম কী? চিকিৎসাবিজ্ঞান ও সাধারণ জ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ এই অংশটির নাম ‘ফিলট্রাম’।








