চাষের পাশাপাশি এখন নতুন আয়ের পথ দেখাচ্ছে নার্সারি ব্যবসা। হাওড়ার বাগনান ১ ও ২ নম্বর ব্লকের বহু পরিবার অল্প জমিতে নার্সারি তৈরি করে আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হয়ে উঠেছেন। সঠিক পরিকল্পনা ও সামান্য বিনিয়োগে এই ব্যবসা এখন এলাকায় জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
বাগনানে বাড়ছে নার্সারি ব্যবসা
হাওড়ার বাগনান এলাকার বহু পরিবার এখন নার্সারি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। ফলের গাছ, ফুলের গাছ ও বিভিন্ন বাহারি গাছের চারা তৈরি করে বাজারে বিক্রি করছেন তাঁরা।এই ব্যবসার ফলে শুধু স্থানীয় বাজার নয়, অন্য জেলা এমনকি দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকেও পাইকারি ব্যবসায়ীরা গাছ কিনতে আসছেন।
কীভাবে শুরু হল এই ব্যবসা
কয়েক দশক আগে এলাকার অল্প কিছু মানুষ ফসল ও ফুল চাষের পাশাপাশি গাছের চারা তৈরি এবং বাইরের গাছ এনে মজুত করে নার্সারি ব্যবসা শুরু করেন।
ধীরে ধীরে এই উদ্যোগ লাভজনক প্রমাণিত হওয়ায় আরও অনেক মানুষ এতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। বর্তমানে বাগনানের বহু গ্রামে এই ব্যবসা দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
অল্প জমিতেই বড় আয়ের সুযোগ
এই ব্যবসার বড় সুবিধা হল—মাত্র ১ থেকে ২ কাঠা জমি থাকলেই নার্সারি শুরু করা সম্ভব।অনেক পরিবার অল্প পুঁজি দিয়ে এই কাজ শুরু করে আজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। বিশেষ করে কৃষক পরিবারের তরুণ প্রজন্মও এখন এই উদ্যোগে যুক্ত হচ্ছেন। পরিবারে নারী-পুরুষ সবাই মিলে কাজ করায় আয়ও বাড়ছে।
লাভ আছে, তবে কিছু সমস্যাও
উদ্যোগীদের মতে, নার্সারি ব্যবসায় লাভের সম্ভাবনা ভালো। অধিকাংশই নিজেদের জমিতে গাছের চারা তৈরি করেন এবং বাজারে বিক্রি করেন।তবে বর্ষাকালে অতিরিক্ত বৃষ্টি বা জোয়ারের জলে অনেক সময় ক্ষতির মুখে পড়তে হয়। তাই অনেকেই মনে করছেন, সরকারি সহযোগিতা ও বিমা সুবিধা বাড়লে এই ব্যবসা আরও নিরাপদ হবে।
জমি থাকলেই আর দুশ্চিন্তা নেই। হাওড়ার বাগনান এলাকায় মাত্র ১–২ কাঠা জমিতে নার্সারি ব্যবসা করে স্বনির্ভর হচ্ছেন বহু মানুষ। ফল, ফুল ও বাহারি গাছের চারা বিক্রি করে ভালো লাভ করছেন উদ্যোগীরা।









