বাজারের সবজিতে ‘পেস্টিসাইড’-এর ভয়! ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে কীটনাশক, ঘরোয়া উপায়ে কীভাবে পরিষ্কার করবেন জানুন

বাজারের সবজিতে ‘পেস্টিসাইড’-এর ভয়! ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে কীটনাশক, ঘরোয়া উপায়ে কীভাবে পরিষ্কার করবেন জানুন

বাজারে তাজা ও চকচকে সবজি দেখে অনেকেই নিশ্চিন্তে কিনে আনেন। কিন্তু সেই সবজির মধ্যেই লুকিয়ে থাকতে পারে বিপজ্জনক পেস্টিসাইড। কৃষিক্ষেত্রে উৎপাদন বাড়াতে এবং পোকামাকড়ের আক্রমণ ঠেকাতে কীটনাশক ব্যবহার করা হয়। এই রাসায়নিক খাবারের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করলে নানা গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে।

কীটনাশক শরীরের জন্য কতটা ক্ষতিকর

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে খাবারের মাধ্যমে শরীরে কীটনাশক প্রবেশ করলে তার ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে।

গবেষণায় দেখা গেছে—

ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়তে পারে

প্রজনন ক্ষমতার উপর প্রভাব ফেলতে পারে

ভ্রূণের স্বাভাবিক বিকাশে সমস্যা তৈরি হতে পারে

তাই বাজার থেকে কেনা সবজি ভালোভাবে পরিষ্কার করা অত্যন্ত জরুরি।

বেকিং সোডা দিয়ে পরিষ্কার করুন

সবজি ও ফল থেকে কীটনাশক দূর করার একটি সহজ উপায় হল বেকিং সোডা ব্যবহার করা।

একটি পাত্রে জল নিয়ে তাতে সামান্য বেকিং সোডা মিশিয়ে নিন। এরপর সেই মিশ্রণে সবজি বা ফল প্রায় ১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। তারপর পরিষ্কার জলে ধুয়ে নিলে অনেকটাই কীটনাশক দূর হয়ে যায়।

ভিনিগার ও নুনের মিশ্রণ ব্যবহার করুন

সম পরিমাণ জল ও ভিনিগার মিশিয়ে একটি দ্রবণ তৈরি করুন। তাতে এক চিমটে নুন যোগ করুন।

এই মিশ্রণে সবজি বা ফল ১০ থেকে ১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখার পর পরিষ্কার জলে ধুয়ে নিলে উপকার পাওয়া যায়।

নুনজলে ধোয়া

বাজার থেকে সবজি এনে সরাসরি রান্না না করে আগে নুনজলে ধুয়ে নেওয়া ভালো।

নুনজলে ধুলে—

সবজিতে থাকা অনেক কীটনাশক দূর হয়

শাকপাতায় থাকা ছোট পোকামাকড়ও বেরিয়ে যায়।

পরিষ্কার জলে ভালোভাবে ধোয়া জরুরি

সবজি কেটে রান্না করার আগে ভালো করে পরিষ্কার জলে ধুয়ে নেওয়া উচিত। অনেকেই সবজি কেটে কিছুক্ষণ জলে ভিজিয়ে রাখেন, এতে ময়লা ও রাসায়নিক কিছুটা বেরিয়ে আসে।ফ্রিজে রাখার আগেও সবজি ধুয়ে নেওয়া স্বাস্থ্যকর অভ্যাস।

ফসলকে পোকামাকড়ের হাত থেকে বাঁচাতে সবজিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে কীটনাশক। কিন্তু এই পেস্টিসাইড দীর্ঘদিন শরীরে গেলে ক্যানসার ও প্রজনন সমস্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই বাজার থেকে কেনা সবজি কীভাবে নিরাপদভাবে পরিষ্কার করবেন, জেনে নিন সহজ কয়েকটি উপায়।

Leave a comment