রায়পুরে বিয়ার বারে হামলায় আহত তরুণীর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু, হত্যার ধারা যোগের সিদ্ধান্ত

রায়পুরে বিয়ার বারে হামলায় আহত তরুণীর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু, হত্যার ধারা যোগের সিদ্ধান্ত

২১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে ঘটনাটি ঘটে। রায়পুরের গীতা নগর এলাকার বাসিন্দা ভেদিকা সাগর এবং তার পরিচিত টি. সুনীল রাও ওরফে শিনু (২৮)-এর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সম্পর্ক ছিল। ওই দিন দুপুর ৩টার দিকে দু’জন আজাদ চকের একটি বিয়ার বারে যান এবং নন-ভেজ খাবার ও মদ অর্ডার করেন।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, দু’জন একটি টেবিলে বসে ছিলেন। কথাকাটাকাটির মধ্যে ভেদিকা সাগর রাগের বশে একটি মদের বোতল তুলে আবার রেখে দেন। এরপর শিনু ক্ষিপ্ত হয়ে তর্কে জড়িয়ে পড়েন।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শিনু ভেদিকা সাগরের বুকে চড় মারেন এবং পরে মদের বোতল দিয়ে তার মাথায় তিনবার আঘাত করেন। এতে তার চোখ ও মাথায় গুরুতর জখম হয়।

হামলার পর শিনু ভেদিকা সাগরের চুল টেনে তাকে মাটিতে ফেলে দেন। কিছুক্ষণ সেখানে অবস্থান করার পর গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে জড়িয়ে ধরে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। ঘটনার সময় বারে আরও এক যুবক উপস্থিত ছিলেন, যিনি সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছেন।

বারের পরিচালনাকারী সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেন। ভেদিকা সাগরকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে টানা ২৩ দিন তার চিকিৎসা চলে।

১২ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভেদিকা সাগরের মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর মঙ্গলবার তার পরিবারের সদস্যরা আজাদ চক থানায় পৌঁছে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে হত্যা ধারায় মামলা রুজুর দাবি জানান।

পুলিশ জানায়, ঘটনার পরই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠানো হয়েছিল। ভেদিকা সাগরের মৃত্যুর পর মামলায় ধারাবৃদ্ধি করে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আজাদ চক সার্কেলের সিএসপি ঈশু আগরওয়াল জানান, ঘটনার সময় উপস্থিত অন্যান্য ব্যক্তি ও সিসিটিভি ফুটেজের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে।

 

Leave a comment