রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু, যারা আইপিএলের প্রথম ১৭ বছরে শিরোপা জিততে পারেনি, ২০২৫ সালে প্রথমবার ট্রফি জিতেছিল। এরপর দলটি ২০২৬ মৌসুমেও শিরোপা ধরে রেখে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ২০২৬-এর ফাইনালে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (আরসিবি) গুজরাট টাইটান্সকে (জিটি) ৫ উইকেটে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা জিতেছে। অধিনায়ক রজত পাটিদারের নেতৃত্বে আরসিবি নিজেদের শিরোপা ধরে রাখার পাশাপাশি আইপিএল ইতিহাসে নতুন একটি সাফল্য যোগ করেছে।
২০২৫ সালে প্রথমবার আইপিএল ট্রফি জয়ের পর আরসিবি ২০২৬ সালেও জয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ব্যাক-টু-ব্যাক চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এই জয় ফ্র্যাঞ্চাইজিটির জন্য বিশেষ গুরুত্ব বহন করে, কারণ প্রথম শিরোপার জন্য দলটিকে ১৭ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছিল।
উপশিরোনাম: বিরাট কোহলির অপরাজিত ইনিংসে জয় নিশ্চিত
ফাইনালে গুজরাট টাইটান্স প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ১৫৫ রান করে। জবাবে আরসিবি ১৮ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্য পূরণ করে শিরোপা জয় নিশ্চিত করে। লক্ষ্য তাড়ায় আরসিবি দ্রুত শুরু পায়। বিরাট কোহলি ও ভেঙ্কটেশ আইয়ারের ওপেনিং জুটি প্রথম উইকেটে মাত্র ৪.৩ ওভারে ৬২ রান যোগ করে। ভেঙ্কটেশ আইয়ার ১৬ বলে ৩২ রান করেন।
এরপর আরসিবি দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারায়। দেবদত্ত পাডিক্কল ১ রান, অধিনায়ক রজত পাটিদার ১৫ রান এবং ক্রুণাল পান্ডিয়া ১ রান করে আউট হন। এক সময় দলের স্কোর ছিল ৯১ রানে ৪ উইকেট।
উপশিরোনাম: কোহলি ও টিম ডেভিডের জুটি

চাপের পরিস্থিতিতে বিরাট কোহলি একপ্রান্ত সামলে রাখেন এবং দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁর সঙ্গে টিম ডেভিডও অবদান রাখেন। দুজন পঞ্চম উইকেটে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে গুজরাটের প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা কমিয়ে দেন।
টিম ডেভিড ২৪ রান করেন, আর বিরাট কোহলি অপরাজিত ৭৫ রান করেন। গুজরাট টাইটান্সের হয়ে রশিদ খান ২ উইকেট নেন। মোহাম্মদ সিরাজ, অর্শদ খান এবং কাগিসো রাবাদা একটি করে উইকেট নেন।
উপশিরোনাম: গুজরাট টাইটান্সের ব্যাটিং
ফাইনালে গুজরাট টাইটান্সের ব্যাটিং প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়নি। অধিনায়ক শুভমান গিল এবং সাই সুদর্শন পাওয়ারপ্লের মধ্যেই আউট হন। শীর্ষক্রম দ্রুত ভেঙে পড়ার পর দলটির ইনিংস গতি পায়নি।
মধ্যক্রমে ওয়াশিংটন সুন্দর ৩৭ বলে ৫০ রান করেন এবং দলকে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক স্কোরে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন। তাঁর বাইরে আর কোনো ব্যাটার ২০ রানের বেশি করতে পারেননি।
আরসিবির বোলারদের মধ্যে রসিক সালাম দার ৩ উইকেট নেন। ভুবনেশ্বর কুমার ও জশ হেজলউড ২টি করে উইকেট নেন। ক্রুণাল পান্ডিয়াও ১টি উইকেট শিকার করেন।
উপশিরোনাম: আরসিবির টানা দ্বিতীয় শিরোপা
এই জয়ের মাধ্যমে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু আইপিএলে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করেছে। টানা দুই মৌসুমে শিরোপা জিতে রজত পাটিদারের নেতৃত্বে দলটি আরেকটি সাফল্য অর্জন করেছে। বিরাট কোহলির অভিজ্ঞতা, তরুণ খেলোয়াড়দের অবদান এবং ভারসাম্যপূর্ণ দলীয় পারফরম্যান্স পুরো মৌসুমে আরসিবিকে শক্তিশালী অবস্থানে রেখেছে।
আইপিএল ২০২৬ ফাইনালে আরসিবি ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে লিগের সফল ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর মধ্যে নিজেদের অন্তর্ভুক্ত করেছে।










