পাহাড়ে প্রার্থী না দিয়েও বড় রাজনৈতিক সাফল্য পেল All India Trinamool Congress। গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার প্রাক্তন দাপুটে নেতা Rohit Thapa-র তৃণমূলে যোগদান ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে। বিশেষ করে বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই যোগদানকে কৌশলগত মাস্টারস্ট্রোক বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
ডুয়ার্সের রাজনীতিতে বড় মুখ তৃণমূলে
Alipurduar শহরে তৃণমূলের এক সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে দলের পতাকা হাতে তুলে নেন Rohit Thapa। দলের জেলা সভাপতি প্রকাশ চিক বড়াইক তাঁর হাতে পতাকা তুলে দেন। এই যোগদানকে ঘিরে তৃণমূল শিবিরে উৎসাহ তুঙ্গে।
‘গুরুং ঘনিষ্ঠ’ পরিচয়েই পরিচিত থাপা
ডুয়ার্সের জয়গাঁ এলাকার বাসিন্দা রোহিত থাপা দীর্ঘদিন Gorkha Janmukti Morcha-র কেন্দ্রীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন। Bimal Gurung-এর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে তাঁর রাজনৈতিক পরিচিতি ছিল সুদৃঢ়।
আন্দোলনের সময় সামনের সারিতে
পাহাড় ও ডুয়ার্সজুড়ে যখন গোর্খা আন্দোলন তুঙ্গে, তখন রোহিত থাপা ছিলেন অন্যতম মুখ্য সংগঠক। জয়গাঁ অঞ্চলে তাঁর প্রভাব ছিল স্পষ্ট, এবং স্থানীয় রাজনীতিতে তিনি অনুঘটকের ভূমিকা পালন করতেন।
গোর্খা ভোটব্যাঙ্কে নজর তৃণমূলের
কালচিনি ও মাদারিহাট বিধানসভা কেন্দ্রে প্রায় ৫০% গোর্খা ভোটার রয়েছে। এতদিন এই ভোটব্যাঙ্ক পুরোপুরি তৃণমূলের দখলে আসেনি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, Rohit Thapa-র যোগদান সেই সমীকরণ বদলাতে পারে।
নির্বাচনের আগে কৌশলগত লাভ
যদিও সরাসরি কোনও মন্তব্য করেননি তৃণমূল নেতৃত্ব, তবে সূত্রের খবর—এই যোগদান সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করবে। পাশাপাশি পাহাড় ও ডুয়ার্স অঞ্চলে উন্নয়নমূলক কাজের গতি বাড়াতে সাহায্য করবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
Alipurduar-এ তৃণমূলের সভায় Rohit Thapa-র যোগদান ঘিরে জোর চর্চা। একসময় Bimal Gurung-এর ঘনিষ্ঠ এই নেতা শাসক দলে যোগ দেওয়ায় পাহাড়-ডুয়ার্সের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে।









