তীব্র গরমের মধ্যেই শুরু হয়েছিল দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ। কিন্তু সকাল গড়াতেই আবহাওয়ার নাটকীয় পরিবর্তন—ঝড়-বৃষ্টি আর শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনায় বদলে গেল ভোটের দিনের চিত্র। একদিকে স্বস্তি, অন্যদিকে সতর্কতা—দ্বৈত ছবিই দেখা গেল রাজ্যজুড়ে।
![]()
কালবৈশাখীর দাপটেই ভোটের আবহে বদল
নির্বাচনের দিন সকাল থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় কালবৈশাখীর প্রভাব দেখা যায়। কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে ঝড়ো হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০-৬০ কিমি পর্যন্ত পৌঁছতে পারে বলে পূর্বাভাস। বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
জেলায় জেলায় বৃষ্টির দাপট, স্বস্তিতে ভোটাররা
নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পূর্ব মেদিনীপুর-সহ একাধিক জেলায় শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই বৃষ্টির জেরে গরমের তীব্রতা অনেকটাই কমেছে, ফলে ভোট দিতে বের হওয়া সাধারণ মানুষের জন্য কিছুটা স্বস্তি মিলেছে।
![]()
বজ্রবিদ্যুৎ ও শিলাবৃষ্টির সতর্কতা
আবহাওয়াবিদদের মতে, শুধুমাত্র বৃষ্টি নয়—বজ্রবিদ্যুৎ এবং শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে কয়েকটি জেলায়। বিশেষ করে পূর্ব বর্ধমানে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে বজ্রপাতের আশঙ্কা থাকায় খোলা জায়গায় না থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ভোটের হারে মিশ্র ছবি
সকাল ৯টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ১৮.৩৯ শতাংশ, যা প্রথম দফার তুলনায় সামান্য কম। ভবানীপুর, ভাটপাড়া, ফলতা, বরানগর, পানিহাটি ও উত্তরপাড়ায় ভোটের হার প্রায় ১৭-১৮ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করেছে। আবহাওয়ার প্রভাব কিছু জায়গায় ভোটের গতিতে প্রভাব ফেলেছে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
![]()
উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির পূর্বাভাস
উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। আগামী কয়েকদিন ধরে ঝড়-বৃষ্টি চলতে পারে বলে পূর্বাভাস। এর ফলে তাপমাত্রা ৩-৪ ডিগ্রি পর্যন্ত কমতে পারে, যা গরম থেকে বড় স্বস্তি এনে দেবে।
![]()
দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণের দিন রাজ্যজুড়ে কালবৈশাখীর প্রভাব। কলকাতা-সহ একাধিক জেলায় বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ায় মিলল গরম থেকে স্বস্তি। তবে কিছু জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ ও শিলাবৃষ্টির সতর্কতা জারি।









