শিলিগুড়িতে ক্রিকেট মানেই উন্মাদনা, আর সেই উন্মাদনায় নতুন মাত্রা যোগ করল ‘শিলিগুড়ি ফ্রেন্ডশিপ কাপ’। আমরা সবাই সূর্য সেন স্পোর্টিং ক্লাবের উদ্যোগে ও কানাই লাল সেন ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় প্রথমবার আয়োজিত এই প্রতিযোগিতা শুরু থেকেই নজর কেড়েছে ক্রীড়াপ্রেমীদের। বাল্মিকী মাঠে চার-ছক্কার ধামাকায় যেন উৎসবের রং লেগেছে গোটা এলাকায়।
শহরের ক্রীড়া মানচিত্রে নতুন সংযোজন
শিলিগুড়ি শহরের ক্রীড়া ইতিহাসে নতুন অধ্যায় যোগ করল এই ফ্রেন্ডশিপ কাপ। প্রথম বছর হওয়া সত্ত্বেও মাঠে ও মাঠের বাইরে যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গিয়েছে, তা আয়োজকদের প্রত্যাশাকেও ছাপিয়ে গিয়েছে। ক্রিকেটপ্রেমীরা পরিবার-পরিজন নিয়ে ভিড় জমাচ্ছেন বাল্মিকী মাঠে।
আট দলের অংশগ্রহণে সৌহার্দ্যের লড়াই
এই টুর্নামেন্টে মোট আটটি দল অংশ নিয়েছে। কর্পোরেশন, বার অ্যাসোসিয়েশন, ফটোগ্রাফি ইউনিট-সহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলির উপস্থিতিতে প্রতিযোগিতা শুধুমাত্র খেলায় সীমাবদ্ধ থাকেনি। বরং ক্রিকেটকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে বন্ধুত্ব, পারস্পরিক সম্মান ও সামাজিক সম্প্রীতির এক অনন্য মেলবন্ধন।
আয়োজকদের বক্তব্য
ক্লাব সভাপতি তাণ্ডব মুখার্জী জানান,“প্রথমবারের আয়োজন হওয়ায় কিছুটা সংশয় ছিল। কিন্তু বিভিন্ন সংগঠন যেভাবে এগিয়ে এসেছে, তাতে বোঝা যাচ্ছে শহরের ক্রীড়াপ্রেমীরা এই উদ্যোগকে আপন করে নিয়েছেন। আমাদের কাছে এই টুর্নামেন্ট শুধু প্রতিযোগিতা নয়, সম্পর্ক গড়ে তোলার একটি মাধ্যম।”
ডেপুটি মেয়রের উপস্থিতিতে উদ্বোধন
প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী পর্বে উপস্থিত ছিলেন শিলিগুড়ির ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকার। তিনি এই ধরনের ক্রীড়া উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, খেলাধুলা যুবসমাজকে সুস্থ ও সক্রিয় রাখার পাশাপাশি সামাজিক বন্ধনও দৃঢ় করে।তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে বাল্মিকী মাঠের পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং মাঠকে আরও আধুনিক ও ক্রীড়াবান্ধব করে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
ভবিষ্যতের লক্ষ্যে আশাবাদী উদ্যোক্তারা
প্রথম বছরেই এই প্রতিযোগিতার সাফল্যে আয়োজকেরা নতুন উদ্যমে ভরপুর। তাঁদের আশা, আগামী দিনে আরও বড় পরিসরে, আরও বেশি দলের অংশগ্রহণে শিলিগুড়ি ফ্রেন্ডশিপ কাপ শহরের অন্যতম পরিচিত ক্রীড়া উৎসবে পরিণত হবে।
শিলিগুড়ির ক্রীড়া মানচিত্রে নতুন সংযোজন ‘শিলিগুড়ি ফ্রেন্ডশিপ কাপ’। প্রথমবার আয়োজিত এই ক্রিকেট টুর্নামেন্টে বাল্মিকী মাঠে জমে উঠেছে চার-ছক্কার লড়াই। শহরের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিত্বকারী আটটি দলের অংশগ্রহণে খেলাধুলার পাশাপাশি উঠে এসেছে বন্ধুত্ব ও সামাজিক সম্প্রীতির বার্তা।








