ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা আজ প্রায় সব মধ্যবিত্ত পরিবারের নিত্যসঙ্গী। অবসরকাল, সন্তানের পড়াশোনা কিংবা হঠাৎ কোনও আর্থিক বিপর্যয়—সবকিছুর জন্যই চাই বড় তহবিল। কিন্তু অনেকেরই ধারণা, কোটিপতি হতে হলে শুরুতেই দরকার মোটা অঙ্কের টাকা। আর এখানেই ভুল ভাঙাচ্ছে ২০x১২x২০ SIP নিয়ম।
কী এই ২০x১২x২০ SIP নিয়ম?
এই নিয়মের সূত্র অত্যন্ত সহজ এবং বাস্তবসম্মত।
২০ → প্রতি মাসে ২০,০০০ টাকা SIP বিনিয়োগ
১২% → গড় বার্ষিক রিটার্ন
২০ বছর → দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ সময়
এই তিনটি উপাদান একসঙ্গে কাজ করলে তৈরি হয় আর্থিক সাফল্যের শক্ত ভিত।
কত টাকা বিনিয়োগ, কত টাকা রিটার্ন?
যদি কেউ প্রতি মাসে ২০,০০০ টাকা করে SIP করেন, তাহলে
২০ বছরে মোট বিনিয়োগ = ৪৮ লক্ষ টাকা
কিন্তু চক্রবৃদ্ধির জাদু এখানেই শেষ নয়।
১২% গড় রিটার্নে সম্ভাব্য কর্পাস = প্রায় ১.৯ থেকে ২ কোটি টাকা
অর্থাৎ, বিনিয়োগের অঙ্কের চার গুণেরও বেশি বৃদ্ধি—তাও নিয়মিত ও ধৈর্যের সঙ্গে।

কেন SIP এতটা কার্যকর?
আর্থিক উপদেষ্টাদের মতে, SIP-এর সবচেয়ে বড় শক্তি হল—
বাজারের ওঠানামা সামলানোর ক্ষমতা
সময়ের সঙ্গে গড় খরচ কমে আসা
বিনিয়োগে শৃঙ্খলা বজায় রাখা
বাজার পড়লেও SIP বন্ধ না করে চালিয়ে গেলে দীর্ঘমেয়াদে লাভের সম্ভাবনাই বেশি।
বিনিয়োগকারীদের কোন বিষয়গুলো মনে রাখা জরুরি?
SIP দীর্ঘ সময় চালিয়ে যেতে হবে
বাজার পড়লে আতঙ্কিত হওয়া চলবে না
আয় বাড়লে SIP-এর অঙ্ক বাড়ানো উচিত
লক্ষ্য অনুযায়ী সঠিক মিউচুয়াল ফান্ড বাছাই করা প্রয়োজন
এই চারটি অভ্যাসই ভবিষ্যতের আর্থিক নিরাপত্তার ভিত্তি গড়ে তোলে।
কার জন্য সবচেয়ে উপযোগী এই নিয়ম?
২০x১২x২০ SIP নিয়ম মূলত
চাকরিজীবী
মধ্যবিত্ত পরিবার
প্রথমবার বিনিয়োগকারীদের
জন্য আদর্শ। এতে অতিরিক্ত ঝুঁকি নেই, আবার স্বপ্নও বড়।
মাত্র মাসে ২০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেই ২০ বছরে প্রায় ২ কোটি টাকার তহবিল তৈরি সম্ভব—এমনই আশ্চর্য সম্ভাবনার কথা বলছে ২০x১২x২০ SIP নিয়ম। শৃঙ্খলা, সময় ও চক্রবৃদ্ধির শক্তিকে কাজে লাগিয়ে কীভাবে সাধারণ মানুষও কোটিপতি হতে পারেন, জানুন সহজ ভাষায়।













