ভোটার তালিকা বিভ্রান্তি: দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও বেহালা পূর্বে দুই সুব্রত মিস্ত্রির নাম, বাবার নাম ও EPIC নম্বর একই পাওয়া গেছে, কিন্তু ঠিকানা ও বয়স ভিন্ন। প্রথম সুব্রত বেহালা পূর্বে স্কুল ক্লার্ক, অন্য জন ২০১১-এ বাংলাদেশ থেকে এসেছেন ও বর্তমানে সোনারপুর উত্তরে থাকছেন। এই ঘটনায় এনিউমারেশন ফর্ম বিতরণে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচন কমিশন এখন বিষয়টি খতিয়ে দেখছে এবং সম্ভবত প্রশাসনিক ভুল বা অন্য কোনো চক্র আছে কি না তা যাচাই করছে।

নাম, বাবা ও EPIC নম্বর একই, ঠিকানা ভিন্ন
দুইজনের নাম সুব্রত মিস্ত্রি এবং বাবা রঞ্জিত মিস্ত্রি। EPIC নম্বরও একই।
প্রথম সুব্রত বেহালা পূর্বের বড়িশা পূর্ব পাড়ার বাসিন্দা, বয়স ৪৩ বছর এবং স্কুল ক্লার্ক।
দ্বিতীয় সুব্রত ২০১১-এ বাংলাদেশ থেকে এসেছেন এবং বর্তমানে সোনারপুর উত্তরে থাকেন, বয়স ৩৬।
এভাবে একই EPIC নম্বর দুই ব্যক্তির জন্য থাকায় প্রশাসনিক বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে।
প্রথম সুব্রতের অভিযোগ ও প্রতিক্রিয়া
সাহাপুর বিদ্যাপীঠের ক্লার্ক সুব্রত জানিয়েছেন, পরিবারের সবাই এনিউমারেশন ফর্ম পেয়েছেন, কিন্তু তার হাতে ফর্ম পৌঁছায়নি। তিনি BLও এবং জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। BLও জানান, ফর্মটি দ্বিতীয় সুব্রতের কাছে চলে গেছে।এই ঘটনা স্পষ্ট করে যে, EPIC নম্বরের পুনরাবৃত্তি প্রশাসনিক বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে।

দ্বিতীয় সুব্রতের বক্তব্য
দ্বিতীয় সুব্রত মিস্ত্রি বলেন, ২০১৭ সালে তিনি সোনারপুর উত্তরে নাম নথিভুক্ত করেছিলেন। ২০১১ সালে ক্যানিং তালডিহিতে তাদের নাম নির্বাচন তালিকায় ওঠে, পরে মুকুন্দপুরে স্থানান্তরিত হয়। তার স্ত্রী জানান, প্রশাসনিক নির্দেশ মেনে তারা ব্যবস্থা নিয়েছেন এবং এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয়।
নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপ
রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন কর্মকর্তা (CEO) অফিসের একটি সূত্র জানিয়েছে, বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দেখা হচ্ছে, কীভাবে একই EPIC নম্বর দুটি ভিন্ন ঠিকানায় ইস্যু হয়। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের রিপোর্ট তলব করা হয়েছে।কমিশন নিশ্চিত করতে চায় যে ভোটার তালিকা এবং ফর্ম বিতরণ যথাযথভাবে হয়েছে এবং কোনো অনিয়ম বা জালিয়াতি নেই।
প্রশাসনিক বিভ্রান্তি ও ভবিষ্যত নির্দেশনা
এ ধরনের ঘটনা ভোটার তালিকার বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রভাবিত করতে পারে। নির্বাচন কমিশন সম্ভাব্য সংশোধনমূলক পদক্ষেপ নিতে পারে এবং ভবিষ্যতে একই ধরনের বিভ্রান্তি এড়াতে আরও সতর্কতা অবলম্বন করবে।

দুই সুব্রত মিস্ত্রির নাম, বাবার নাম ও EPIC নম্বর একই হলেও ঠিকানা ও বয়স ভিন্ন। প্রথম জন বেহালা পূর্বের বাসিন্দা স্কুল ক্লার্ক, অন্য জন ২০১১-এ বাংলাদেশ থেকে এসে ক্যানিংতে বসবাসকারী কাঠের মিস্ত্রি। এনিয়ে নির্বাচন কমিশনের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে, তদন্ত শুরু হয়েছে।











