কলকাতা থেকে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী পঞ্চায়েত দফরের টেন্ডার দুর্নীতি নিয়ে ঠিকাদারদের বার্তা দিয়েছেন, “ভোটের আগে আর কাজ নেবেন না। টাকা পাবেন না।” তিনি দাবি করেন, ‘পথশ্রী’-এর নামে রাজ্যে লুঠ চলছে, তৃণমূলের অনুমোদিত ও পরিকল্পিত। পাল্টা মন্তব্যে রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, শুভেন্দু যখন তৃণমূলে ছিলেন, তখনও কি এই কাজ করতেন? শুভেন্দু আরও অভিযোগ করেছেন, বরাত পেতে ঠিকাদারদের পকেট কাটছে তৃণমূলের এবং ইতিমধ্যেই ৩০০ কোটি টাকা চলে গেছে।

শুভেন্দুর বার্তা ঠিকাদারদের জন্য
শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, “ঠিকাদারদের বলছি একদম কাজ নেবেন না। এটা পথশ্রীর নামে লুটশ্রী হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর অনুমোদিত, ভাইপোর পরিকল্পিত। তাই বেকার যুবকদের বলব, আমার ঠিকাদার ভাইদের কাজ নেবেন না।”তিনি আরও দাবি করেছেন, বিজেপি সরকার আসার পর এই প্রকল্পের পেমেন্ট ঠিকাদাররা পাবেন না।
ফিরহাদের পাল্টা প্রশ্ন
রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, “শুভেন্দু একুশ সাল পর্যন্ত সরকারে ছিলেন। উনি যখন ছিলেন তখন কি এইসব করতেন? উনি তৃণমূল করতেন। এমপি ছিলেন। উনি এটা না করলে জানলে কী করে?”এতে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়ে গেছে।

বরাত ও দুর্নীতির অভিযোগ
শুভেন্দু অভিযোগ করেছেন, বরাত পেতে ঠিকাদারদের পকেট কাটছে তৃণমূলের। ইতিমধ্যেই ৩০০ কোটি টাকা তৃণমূলের হাতে গেছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এটি পথশ্রীর নামে রাজ্যকে নতুন করে লুট করার চেষ্টা।
রাজনৈতিক প্রভাব ও ভবিষ্যৎ
শুভেন্দু এই ধরনের অভিযোগ তুলে ভোটের আগে রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে চাইছেন। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই বিতর্ক আগামী নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে।

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী পঞ্চায়েত দফরের টেন্ডার দুর্নীতি নিয়ে ঠিকাদারদের বললেন “কাজ নেবেন না।” পাল্টা রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম শুভেন্দুর অতীত কার্যকলাপ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। শুভেন্দু অভিযোগ করেন, তৃণমূল বরাত পেতে ঠিকাদারদের পকেট কাটছে এবং ৩০০ কোটি টাকা তৃণমূলের হাতে গেছে।











