বাংলাদেশে ক্রিকেট প্রশাসনে বড় পরিবর্তন হয়েছে, যেখানে সরকার প্রাক্তন অধিনায়ক তামিম ইকবালকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)-এর নতুন সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বিদ্যমান বোর্ড ভেঙে দেওয়ার পর।
মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশ সরকার একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেয়। কমিটি গত বছরের অক্টোবর মাসে অনুষ্ঠিত বোর্ড নির্বাচনের পর্যালোচনা করে এবং সেখানে একাধিক অনিয়মের ইঙ্গিত দেয়। তদন্তে দেখা যায়, নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ছিল না এবং প্রশাসনিক স্তরেও বিভিন্ন ত্রুটি ছিল। এর পরপরই সরকার তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যমান বোর্ড ভেঙে দিয়ে নতুন অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা চালুর সিদ্ধান্ত নেয়।

সরকার তামিম ইকবালের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের একটি অ্যাড-হক কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটিতে ক্রিকেট ও প্রশাসনের সঙ্গে যুক্ত অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যাতে বোর্ডের কার্যক্রম আরও কার্যকর ও স্বচ্ছ করা যায়। কমিটির সদস্যদের মধ্যে প্রাক্তন অধিনায়ক মিনহাজুল আবেদীন, প্রাক্তন ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার আতহার আলী খানসহ আরও কয়েকজন রয়েছেন। কমিটির প্রধান লক্ষ্য ক্রিকেট প্রশাসনে সংস্কার আনা এবং ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি শক্তিশালী কাঠামো গড়ে তোলা।
বাংলাদেশের ন্যাশনাল স্পোর্টস কাউন্সিল (এনএসসি) এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছে। সংস্থার এক সিনিয়র কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পূর্ববর্তী বোর্ড তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে সক্ষম হয়নি এবং তাদের কাঠামোও নিয়ম অনুযায়ী ছিল না। তিনি আরও জানান, এই পরিবর্তনের বিষয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)-কে অবহিত করা হয়েছে। সরকার আশা করছে, আইসিসি এই পরিবর্তনকে স্বীকৃতি দেবে এবং বাংলাদেশ ক্রিকেটে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করবে।










