রনবীর সিং অভিনীত স্পাই-থ্রিলার চলচ্চিত্র ‘Dhurandhar: The Revenge (ধুরন্ধর ২)’ মুক্তির ২০ দিন পরেও বৈশ্বিক বক্স অফিসে শক্তিশালী অবস্থান ধরে রেখেছে। আদিত্য ধর পরিচালিত এই চলচ্চিত্রটি বিশ্বব্যাপী ১,৬০০ কোটি টাকার বেশি সংগ্রহ করেছে এবং ধারাবাহিকভাবে নতুন বাণিজ্যিক মাইলফলকের দিকে এগোচ্ছে।
মুক্তির পর ২০তম দিনেও ছবিটির আয় অব্যাহত রয়েছে, যা বক্স অফিসে এর স্থায়ী চাহিদা নির্দেশ করে। বর্তমান প্রবণতা অনুযায়ী, চলচ্চিত্রটি ১,৭০০ কোটি টাকার সীমা অতিক্রমের কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে।
২০ দিনে বক্স অফিস সংগ্রহ
চলচ্চিত্রটি মুক্তির প্রথম দিনেই বিশ্বব্যাপী প্রায় ২৪১ কোটি টাকার ওপেনিং নিয়ে যাত্রা শুরু করে। ২০ দিন পর এর মোট বৈশ্বিক সংগ্রহ প্রায় ১,৬৪১ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ছবিটি প্রায় ৪০৪ কোটি টাকার ব্যবসা করেছে। ফলে ১,৭০০ কোটি টাকার সীমা স্পর্শ করতে ছবিটির প্রয়োজন প্রায় ৫৯ কোটি টাকা।
ট্রেড বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান আয়ের ধারা বজায় থাকলে চলচ্চিত্রটি শীঘ্রই ১,৭০০ কোটি টাকার সীমা অতিক্রম করতে পারে এবং পরবর্তী পর্যায়ে ২,০০০ কোটি টাকার ক্লাবে প্রবেশের সম্ভাবনাও রয়েছে।

বক্স অফিস পারফরম্যান্সের কারণ
চলচ্চিত্রটির ধারাবাহিক বাণিজ্যিক সাফল্যের পেছনে কয়েকটি নির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে উচ্চমাত্রার অ্যাকশননির্ভর স্পাই-থ্রিলার কাহিনি, রনবীর সিং-এর অভিনয়, বৃহৎ পরিসরের ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা ও আন্তর্জাতিক লোকেশনে শুটিং, এবং দর্শকদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া যা পুনরায় দর্শক টানছে।
পরিচালক আদিত্য ধর-এর এই চলচ্চিত্রটি প্রেক্ষাগৃহে দর্শক উপস্থিতি বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে, যার ফলে এর আয় ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
রেকর্ড ও মাইলফলক
‘ধুরন্ধর ২’ ইতিমধ্যে একাধিক বক্স অফিস রেকর্ড স্থাপন করেছে। এটি ভারতের মধ্যে ১,০০০ কোটি টাকার বেশি আয় করা বৃহৎ হিন্দি চলচ্চিত্রগুলির একটি। এছাড়া, বিশ্বব্যাপী দ্রুততম সময়ে ১,০০০ কোটি এবং ৫০০ কোটি টাকার সংগ্রহের রেকর্ডও এর দখলে রয়েছে। উত্তর আমেরিকার বাজারে এটি ‘Baahubali 2: The Conclusion’-এর আয়ের রেকর্ড অতিক্রম করে সেখানে সর্বাধিক আয়কারী ভারতীয় চলচ্চিত্র হিসেবে অবস্থান নিয়েছে। একইসঙ্গে এটি হিন্দি সিনেমার অন্যতম বৃহৎ ওপেনিং অর্জন করেছে।
দীর্ঘ সময়কাল সত্ত্বেও প্রদর্শন অব্যাহত
প্রায় চার ঘণ্টার দীর্ঘ সময়কাল থাকা সত্ত্বেও চলচ্চিত্রটি প্রেক্ষাগৃহে দর্শক আকর্ষণ ধরে রেখেছে। সাধারণত দীর্ঘ সময়ের চলচ্চিত্র নিয়ে দর্শকদের মধ্যে দ্বিধা দেখা গেলেও, এই চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে সেই প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়নি।










